স্পোর্টস ডেস্ক
আলাভেসের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত জয়টি তুলে নিয়ে ৩৪তম লিগ শিরোপার আরো কাছে চলে গিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। শুক্রবার রাতের ম্যাচে করিম বেনজেমা আর মার্কো অ্যাসেনসিওর গোলে ২-০ ব্যবধানের জয় তুলে নেয় কোচ জিনেদিন জিদানের দল।
নিষেধাজ্ঞার কারণে এদিন অধিনায়ক সার্জিও রামোস আর দানি কারভাহালকে পায়নি রিয়াল। তবে তাতেও তাদের জয় পেতে খুব একটা সমস্যা হয়নি। ম্যাচের ১০ মিনিটেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি গিল মানজানো। সেখান থেকে গোল করেন রামোসের অনুপস্থিতিতে পেনাল্টি নিতে আসা বেনজেমা। আর দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাসেনসিওর গোল ম্যাচের সব অনিশ্চয়তা দূর করে দেয়।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচ হাতে রেখে বার্সেলোনার সঙ্গে চার পয়েন্টের ব্যবধান ধরে রাখল রিয়াল। শেষ তিন ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট তুলে নিতে পারলেই শিরোপা যাবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। তবে এর আগেও নিশ্চিত হতে পারে শিরোপা। সেক্ষেত্রে গত রাতের ম্যাচে রিয়াল ভায়াদোলিদের বিপক্ষে হারতে হবে বার্সাকে। তাহলে সোমবার রাতের ম্যাচে গ্রানাডাকে হারালেই শিরোপা জিতবে জিদানের শিষ্যরা। তবে কোচ জিদান জানালেন, শেষের আগে লড়াই ছাড়বে না তার দল। বললেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। আরো তিন ম্যাচ খেলতে হবে আমাদের আর আমরা জানি না কি হতে যাচ্ছে! এখন বিশ্রাম নিতে হবে আমাদের কারণ সময় খুব বেশি নেই।’ এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে পেনাল্টি পেল রিয়াল। তবে কোচ জিদান মনে করেন ন্যায্য পেনাল্টিই পেয়েছে তার দল। তিনি বলেন, ‘যখন পেনাল্টি প্রাপ্য হয় তখনই তো দেওয়া হয়! সেটা ভালো একটা আক্রমণ ছিল আমাদের, এই তো! আমরা গোল করে চলেছি, এটাই আপাতত আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’
চলতি মৌসুমে এ নিয়ে ১৮টি লিগ ম্যাচে কোনো গোল হজম করেনি রিয়াল। কোচ জিদান এর কৃতিত্ব দিলেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে। বললেন, ‘সে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় আর তার প্রভাবও বেশ। গোল না হজম করাটা দলীয় কৃতিত্ব কিন্তু থিবোও অনেক গোল ঠেকিয়ে নিজের কাজটা করে যাচ্ছে।’
তিনি আরো যোগ করেন, ‘একেবারেই গোল হজম না করাটা অসম্ভব। কিন্তু এটা সত্য সে আমরা কম গোল হজম করছি। আমরা যা করছি তা করা অব্যাহত রাখতে হবে আর কোর্তোয়া তো আছেই! তাহলেই দলটা খুব বেশি গোল হজম করবে না!’