মেংকে গ্রেপ্তারের পর কানাডার ১৩ নাগরিককে আটক করে চীন
g বিবিসি ও রয়টার্স
চীন সফরের ক্ষেত্রে ‘বাড়তি সতর্কতা’ অবলম্বনের জন্য নিজ দেশের নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। চীনে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন নাগরিকের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এ সতর্কতা দেওয়া হলো।
মার্কিন প্রশাসনের সতর্ক বার্তায় অভিযোগ করা হয়েছে, চীনে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদেরকে ইচ্ছাকৃতভাবে দেশত্যাগে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, ‘অভিযোগের ব্যাপারে তথ্য অথবা কনস্যুলার সুবিধা না দিয়েই মার্কিন নাগরিকদের আটক করা হতে পারে।’ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নতুন বিবৃতিতে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা মার্কিন নাগরিকদেরও সতর্ক করা হয়। বলা হয়েছে, চীনে মার্কিন-চীনা দ্বৈত নাগরিকদের আটক করা হতে পারে এবং তাদেরকে সহযোগিতার সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রকে নাও দেওয়া হতে পারে।
এদিক চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মেং ওয়ানঝুকে গ্রেফতারের পর থেকে কানাডার ১৩ নাগরিককে আটক করার কথা জানা গেছে। কানাডা সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ১৩ জনকে আটক করা হয়েছিল, এর মধ্যে আটজনকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে চীন এখন পর্যন্ত মাত্র তিনজনকে গ্রেফতারের কথা প্রকাশ করা হয়েছে। বেইজিং দাবি করেছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কানাডার নাগরিকদের আটক করা হয়েছে।
মেংকে গ্রেফতারের পর থেকেই চীন ও কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক উদ্বেগ বেড়েছে। কানাডা অবশ্য কয়েকবার বলেছে, তাদের দেশের নাগরিকদের আটক করার সঙ্গে মেং ওয়ানঝুর গ্রেফতারের সম্পর্ক নেই। তবে বেইজিংভিত্তিক পশ্চিমা কূটনীতিক ও কানাডার সাবেক কূটনীতিকেরা বলছেন, কানাডার নাগরিকদের গ্রেফতারের বিষয়টি পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবেই বিবেচনা করছে চীন।