সোনারগাঁওয়ে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বারদী ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ও ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জারা গেছে পূর্বশত্রুতার জের ধরে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ গতকাল দুপুরে বারদীর শান্তির বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটায়। আহত যুবলীগ নেতাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শান্তির বাজার এলাকার একখণ্ড জমি নিয়ে একটি চক্রের সঙ্গে জনৈক আব্দুল মতিনের বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য গত শনিবার সোনারগাঁও থানায় সালিশ বৈঠক বসে। এতে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আব্দুল মতিনের সব কাগজপত্র সঠিক বলে বিবেচিত হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা করবেন। সে মোতাবেক গতকাল বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সরেজমিনে বিরোধপূর্ণ জমি দেখতে যান। এ সময় জমির মালিক আব্দুল মতিনের পক্ষে যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম কথা বলার কারণে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন স্থান ত্যাগ করার পরপরই আমিনুল ইসলামকে একা পেয়ে ১০-১২ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র রামদা, ছোরা, চাপাতি, চাইনিজ কোড়াল ও লোহার রড দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। ঘটনাস্থল থেকে এলাকাবাসী মারাত্মক আহত অবস্থায় আমিনুলকে উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনার মূল হোতা ডাকাত সর্দার হাবুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ডাকাতির ১৯টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।