চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
কোয়েল ও টারকি পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী নামের এক যুবক। তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার চান্দিশকরা গ্রামের মরহুম হাজী রইছুর রহমানের পুত্র। কামাল পার্শ্ববর্তী পূর্ব ধনমুড়ি এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ‘সিলভার এগ্রো এন্ড পোল্ট্রি হ্যাচারি’ নামের কোয়েল খামার করেছেন। কোয়েল পাখির খামার দিয়ে ডিম ও পাখি বিক্রি করে তিনি এলাকাবাসীর মধ্যে সাড়া জাগিয়েছেন। নিজেও হয়েছেন স্বাবলম্বী।
গত মঙ্গলবার সরেজমিন পরিদর্শনকালে কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস, ইচ্ছা, ধৈর্য আর চেষ্টা থাকলে অনেকভাবেই আয় করা যায়। এজন্য মাছ, মোরগের খামার না করে এক বছর আগে ভিন্ন রকমভাবে কোয়েল পাখি ও টারকি খামার শুরু করেন। প্রথমদিকে অনেকে অনুত্সাহিত করেছেন। কিন্তু বিচলিত হইনি। বর্তমানে খামারে সাড়ে সাত হাজার কোয়েল ও ত্রিশটি টারকি রয়েছে। এগুলোর ডিম ও বাচ্চা বিক্রি করে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। প্রথম দিকে একদিনের ১৫০০ কোয়েলের বাচ্চা দিয়ে শুরু করেন। এক মাস পালনের পর প্রতি বাচ্চা ২৭-৩০ টাকা দরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন গড়ে ৩৫০০ ডিম পাওয়া যায়। শীতের সময় ডিমের চাহিদা বেশি থাকে। এসব ডিম প্রতিদিনই স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে যায়। প্রতি হালি ডিমের দাম রাখা হয় ৮-১০ টাকা। এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আজহারুল বলেন, সিলভার এগ্রো এন্ড পোল্ট্রি হ্যাচারি নামের খামারটি পরিদর্শন করে ভালো লেগেছে। চৌদ্দগ্রামে এ মানের আর খামার নেই। খামারটির বিকাশে আমরা পর্যাপ্ত পরামর্শ অব্যাহত রাখবো।