মির্জাপুরে বিএনপি নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতংকে

পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার আতংকে রয়েছে টাঙ্গাইল মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। নির্বাচনের আগে ও পরে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী। নেতাদের অভিযোগ, মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তাদের। 

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও জামুর্কি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল বলেন, 'পুলিশের গায়েবী, নাশকতা ও পরিকল্পনাকারী ইত্যাদি মিথ্যা মামলায় বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে। তাদের গ্রেপ্তারের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করছে।'

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান শওকত আকবর (৪৬), জামুর্কি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মনির সিকদার, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন তালুকদার (২২), ভাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি মেম্বরার মোঃ লিটন মাহমুদ (৪৫), ভাওড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক (৪২), তরফপুর ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাদের সিকদার (৪৫), গোড়াই ইউনিয়নের বিএনপির নেতা জহিরুল ইসলাম (৩৭), পৌরসভার বটতল এলাকার ছাত্রদলের নেতা ইবাদুল হক (২২), জাহিদ (২০), গোড়াইল গ্রামের ছাত্রদলের কর্মী রাসেল (১৯), সোহাগ (২০), পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম (৪৩), মহেড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আবুল কালামসহ ৩০ জনকে বিভিন্ন মামলায় অহেতুক গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে এ নেতা দাবি করেন। 

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা মাদকসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি।

মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেন, 'পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে অন্যায়ভাবে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীকে গণহারে গ্রেপ্তার করছে। মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠাচ্ছে।' তিনি গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্তে মুক্তির দাবি জানান।

আরও পড়ুনঃ অসুস্থ বিএনপি নেতা মনিরুল হক চৌধুরীকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক মিজান বলেন, 'বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে হয়রানী ও উদ্যেশ্যমূলকভাবে গ্রেপ্তার বা মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়নি। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে পূর্বের মামলা ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। হয়রানীমূলকভাবে কোনো নেতাকর্মী আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।'

ইত্তেফাক/অনি/নূহু