ইত্তেফাক রিপোর্ট
মুক্তিযুদ্ধের সাব সেক্টর কমান্ডার, বিএনপির সহযোগী সংগঠন যুবদলের প্রথম সভাপতি ও সাবেক যুবমন্ত্রী আবুল কাশেম আর নেই। গতকাল শনিবার ভোর ৪টা ২৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর বনানীতে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। ডায়াবেটিস, হূদরোগ ছাড়াও বার্ধক্যজনিত নানা রোগে দীর্ঘদিন ভুগছিলেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। গতকাল বাদ আসর কুমিল্লা সদর উপজেলার পালপাড়া গ্রামে মরহুম আবুল কাশেমের বাবা-মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত আছিয়া-গণি গার্লস স্কুল মাঠে নামাজে জানাজা হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী যুবদল গঠনের পর এর আহ্বায়ক করেছিলেন কাশেমকে। পরে সভাপতির দায়িত্বও পান তিনি। যুব মন্ত্রণালয় গঠনের পর কাশেমকে ঐ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন জিয়াউর রহমান। পরে তিনি এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পান। ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার তেজগাঁও আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কাশেম। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের সরকারেও যুবমন্ত্রী ছিলেন কাশেম। ২০০৬ সালে বিএনপি ছেড়ে এলডিপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন তিনি। অবশ্য গত কয়েক বছর ধরে তিনি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন।