খুলনাকে ৮ রানে হারিয়ে জয় তুলে নিল রংপুর

আসরের প্রথম ম্যাচে চিটাগাং ভাইকিংসের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইটান্সকে ৮ রানে হারায় মাশরাফির রংপুর রাইডার্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের চতুর্থ ম্যাচে সন্ধ্যায় মুখোমুখি হয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্স এবং খুলনা টাইটান্স।  টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান করে রংপুর রাইডার্স। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে খুলনার ইনিংস থামে ১৬১ রানে।

রংপুর রাইডার্সের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন রিলে রুশো এবং মেহেদি মারুফ। ব্যক্তিগত ৫ রানের মাথায় বিদায় নেন মারুফ। এরপর মাঠে আসেন ইংলিশ তারকা অ্যালেক্স হেলস। তবে ৯ বলে ১৫ রান করে ফিরে যান সাজঘরে। ১৭ বলে তিন বাউন্ডারিতে ১৯ রান করে ফেরেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন।

এরপর ওপেনার রিলে রুশোর সঙ্গে জুটি গড়েন রবি বোপারা। এই জুটি ৬১ বলে তুলে নেয় ১০৪ রান। রিলে রুশো ৫২ বলে আটটি বাউণ্ডারী আর দুটি ছক্কায় ৭৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। রবি বোপারা ২৯ বলে তিনটি বাউণ্ডারী আর একটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ৪০ রান।

খুলনার হয়ে স্পিনার তাইজুল ও শফিউল ইসলাম কোনো উইকেট পাননি। জহির খান আর কার্লোস ব্রাথওয়েইট একটি করে উইকেট পান। আলি খান ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে তুলে নেন একটি উইকেট।

জবাবে ১৭০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে ওপেনিংয়ে নামেন জুনায়েদ সিদ্দীকি এবং আইরিশ তারকা পল স্টারলিং। ওপেনিং জুটি ১১ ওভারে স্কোরবোর্ডে যোগ করে ৯০ রান। ৩০ বলে তিনটি চার আর একটি ছক্কায় জুনায়েদ সিদ্দীকি করেন ৩৩ রান। ১৩তম ওভারে পেসার শফিউল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ১ রান করা নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৪তম ওভারে বোলিংয়ে এসে মাশরাফি বোল্ড করেন ৬১ রান করা ওপেনার স্টারলিংকে। ১৮তম ওভারে ব্যক্তিগত ২৪ রানে বিদায় নেন খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ফরহাদ রেজার বলে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি। ১৯তম ওভারে এসে শফিউল ফিরিয়ে দেন ১৩ বলে ১২ রান করা আরিফুল হককে। শেষ ওভারে খুলনার দরকার ছিল ২০ রান। তবে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৬১ রানেই থেমে যায় খুলনা।

মাশরাফি ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। সোহাগ গাজী ৩ ওভারে ২১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন। শফিউল ইসলাম ৪ ওভারে ৪৪ রান খরচায় তুলে নেন দুটি উইকেট। নাজমুল অপু ২ ওভারে ১২ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ফরহাদ রেজা একটি আর ৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে বেনি হাওয়েল পান একটি উইকেট।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি