বরিশালে সড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নবোদ্যমে ট্রাফিক পুলিশ

বরিশাল অফিস

নির্বাচন পরবর্তী নগরীর সড়কগুলোতে যানজট মুক্ত করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশ নতুন উদ্যোমে মাঠে নেমেছে। চলতি বছরের শুরু থেকেই নগরীর ব্যস্ততম এলাকা রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড, আমতলার মোড়, চৌমাথা বাজার, বাংলা বাজার, নথুল্লাবাদ, সদর রোড, লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিকের এসি মাসুদ রানা মাঠে থেকেই ট্রাফিক পুলিশকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। নগরীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে ট্রাফিক পুলিশের তত্পরতা বৃদ্ধিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন নগরবাসী। হেলমেট ও লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল চালকদের প্রতি কঠোর নজরদারি থাকায় দিন দিন মামলার সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের ডিসি মোঃ খাইরুল আলমের নেতৃত্বে এসি (দক্ষিণ) মাসুদ রানা ও এসি (উত্তর) এ কে এম ফাইজুর রহমান প্রতিদিনই অভিযানে নামছেন। ট্রাফিক পুলিশের ডিসি খাইরুল আলম জানান, ২০১৮ সালে ৪৫ হাজার ১৯টি মামলা হয়েছে। এতে জরিমানা করা হয়েছে তিন কোটি ৩২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৫০ টাকা। এর মধ্যে ৪৩ হাজার ২৭৫টি মামলা নিষ্পত্তি হয়ে ৩ কোটি ২০ লাখ ২৯ হাজার ৯৪৩ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। বাকি ১৭৫৪টি মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি আরো জানান, ২০১৮ সালে ১০৮০টি যানবাহন আটক হয়েছে। যার মধ্যে ৭৭৪টি মোটরসাইকেল, ৭২টি থ্রি হুইলার, ৫৩টি মাইক্রোবাস, ১০টি ব্যাটারিচালিত মোটর বাইক, ১৪৭টি ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা, ২৩টি নছিমন ও করিমন ও একটি ঘোড়ার গাড়ি রয়েছে। এ ছাড়াও ব্যাটারি চালিত রিক্সার ৩৯২টি ব্যাটারি ও ১৬৩টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্স মামলা নিষ্পত্তি করতে হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বা লার্নার কার্ডকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যা ইতোপূর্বে ছিল না। বরিশাল নগরবাসীর সেবার মান বাড়াতে ট্রাফিক বিভাগ দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।