সিলেট বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক

এক দশকেও আলোর মুখ দেখেনি

সিলেট বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়কটি এক দশকেও আলোর মুখ দেখেনি। সূত্রমতে, শুরু থেকেই প্রকল্পটির কাজ বাধাগ্রস্ত হয়ে আসছে শুধু নকশা পরিবর্তনের কারণে। তবে শনিবার সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেনের নেতৃত্বে সড়কটি পরিদর্শন করেন উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান শামিম উজ্জামান, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের রোড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর সিদ্দিকী, পরিকল্পনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা, সওজ সিলেটের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আমিন, অতিরিক্ত প্রকৌশলী তুষার সিনহা, সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বড়ুয়া ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, প্রতিনিধি দল সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত নকশা সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তাদের।

এদিকে, সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে সোমবার সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চিঠি প্রেরণ করেছে ‘দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’। চেম্বার নেতৃবৃন্দ মনে করেন, সিলেটের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা গেলে সিলেট থেকে সরকারের রাজস্ব আয়ও প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে সিলেট-ঢাকা চার লেন সড়ক নির্মাণ ও সিলেট বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক সম্প্রসারণ কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবি জানিয়েছে চেম্বার। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিলেট বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়কটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১০ সালের ৪ আগস্ট। ৪৫ কোটি ৪২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ে এ সড়কের কাজের সূচনা করা হলেও ২০১৪ সালে হঠাত্ প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সড়কটি চার লেনে উন্নীত করতে নতুন প্রস্তাবনা তৈরি করে সওজ। ২০১৬ সালে আগের প্রস্তাবনা সংশোধন করে চার লেন সড়কের সঙ্গে দুটি সার্ভিস লেন যুক্ত করে নতুন প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এরপর বছরখানেক আগে আবার চার লেনের প্রস্তাবনা যায় মন্ত্রণালয়ে। সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ জানান, সড়কটি প্রথমে দুই লেন, পরে চার লেন, এরপর ছয় লেনের পরিকল্পনা হয়। এখন বাস্তবতা বিবেচনায় সড়কটি চার লেনের নিচে হবে না। তিনি জানান, পূর্বের ম্যাপ সংশোধনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি হবে।

সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বড়ুয়া বলেন, নকশা ঠিক আছে। শুধু বিমানবন্দরের দক্ষিণ দিকে সম্প্রসারণ হতে পারে সেই বিষয়টি নকশায় সংযুক্ত করে দিতে বলা হয়।


ইত্তেফাক/এমএএম