অকেজো ডাকবাক্সগুলো অপসারণ করা হোক

সময়মতো চিঠি না পৌঁছানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে মানুষ ডাক বিভাগের ওপর নির্ভরশীলতা হারিয়ে  বিকল্প হিসাবে বেছে নিয়েছে ই-মেইল সার্ভিস বা কুরিয়ার সার্ভিস। চিঠিপত্র পাঠানোর জন্য খরচ বাড়ানো হলেও বাড়েনি সেবার মান। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ডাকবাক্স, চিঠি ফেলার জন্য। কিন্তু কথা হচ্ছে, এই ডাকবাক্স এখন কতটা কাজে লাগছে? বা ডাকবাক্স থেকে নিয়মিত চিঠি সংগ্রহ করা হয় কি না প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য? পোস্ট অফিসের সামনে বসানো ডাকবাক্সগুলো নিয়মিত খোলা হলেও অন্যান্য জায়গায় বসানো ডাকবাক্সগুলো খোলা হয় কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। বিশেষ করে ঢাকা শহরে অসংখ্য ডাকবাক্স আছে বিভিন্ন জায়গায়। অনেকেই হয়তো এইসব বাক্সে চিঠি পোস্ট করে নিশ্চিন্তে বসে থাকেন, আর বছরের পর বছর ধরে ঐসব চিঠি বাক্সের ভিতরই রয়ে যায়।  তাই যেসব ডাকবাক্স খোলা হয় না, সেগুলো অবিলম্বে অপসারণের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আর সচল ডাকবাক্সগুলো রং করে নতুন সময়সূচি দেওয়া হোক। তাহলে হয়তো আবার সবাই ডাকবাক্স ব্যবহার শুরু করবে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করছেন বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন দেশের বেতারের শ্রোতা। তাঁদের জন্যই ডাকবাক্সগুলো সচল করুন। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন ডাকঘরে পোস্টকার্ড এবং বিভিন্ন মূল্যমানের ডাকটিকিট পাওয়া যাচ্ছে না—এগুলোও সহজলভ্য করে ডাকবিভাগের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনা হোক।

কামাল হোসাইন, জগন্নাথদী, মধুখালী, ফরিদপুর