স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
জরুরি প্রসূতি সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল জাতীয় পুরস্কার লাভ করেছে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে শজিমেক হাসপাতালের গাইনী বিভাগের অন্তঃবিভাগে মোট ৩ হাজার ৯৪৪ জন প্রসূতি মা ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে নরমাল ডেলিভারি হয়েছে ১ হাজার ৫২৩ জন। যা শতকরা হিসেবে ৩৮ দশমিক ৬ ভাগ। সিজারিয়ান হয়েছে ২ হাজার ৪২১ জন, যা শতকরা হিসেবে ৬১ দশমিক ৪ ভাগ। ২০১৭ সালে গাইনি বহিঃবিভাগে ২৬ হাজার ৯৫৪ জনকে চিকিত্সাসেবা দেওয়া হয়েছে। এ বছর অক্টোবর পর্যন্ত ইতোমধ্যে ২৬ হাজার ৬৭৮ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ২০১৭ সালে এসব সেবার জন্য শজিমেক হাসপাতালকে জাতীয় পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
এই পুরস্কার লাভ করায় শজিমেক হাসপাতালের উদ্যোগে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. গোলাম রসুল-এর সভাপতিত্বে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএমএ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বগুড়া শাখার সভাপতি ডা. মোস্তফা আলম নান্নু। বিশেষ অতিথি শজিমেক এর অধ্যক্ষ ডা. একেএম আহসান হাবীব, শজিমেক হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার ডাঃ একেএম মাসুদ আহসান, হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. নিমুলেন্দু চৌধুরী, শজিমেকের উপাধ্যক্ষ ও বিএমএ বগুড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. রেজাউল আলম জুয়েল, টিএমএসএস এর উপ-নির্বাহী পরিচালক ডা. মো. মতিউর রহমান, স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ডা. মো. সামির হোসেন মিশু, গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. আখতারী হোসেন চৌধুরী নিপা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজের গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মাহতাব-ই-আলম ও মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এটিএম নূরুজ্জামান সঞ্চয়।
অনুষ্ঠানে শজিমেক হাসপাতালের কর্মকর্তারা বলেন, উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র বগুড়ায় এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এ অঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতায় এসব সেবা দেওয়া হয়েছে। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।