‘দুর্নীতি সহ্য করা হবে না’

স্পোর্টস ডেস্ক

ক্রীড়াক্ষেত্রে দুর্নীতি, অপরাধ ও অনিয়ম কোন ভাবেই সহ্য করা হবে না। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের হয়ে ক্রীড়াঙ্গনের দেখভালের দায়িত্বে থাকা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে এসে এ হুশিয়ারী দিয়েছেন নবনিযুক্ত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

মন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম ক্রীড়া পরিষদে এলেন তিনি। সেখানকার কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনগুলো স্বাগত জানায় তাকে। এ সময় গণমাধ্যমের সাথেও কথা বলেন গত দুই মেয়াদে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন শেষে মন্ত্রনালয়টির দায়িত্ব পাওয়া এই তরুন রাজনীতিবিদ।

দীর্ঘদিন ধরে এমপি হিসেবে ক্রীড়াক্ষেত্রের সাথে যুক্ত থাকা জাহিদ আহসান রাসেল বলেন,‘এই সভায় দাঁড়িয়ে আমি বলবো, যে কোনও দুর্নিতি, অনিয়ম আমি জিরো টলারেন্স ঘোষনা দিচ্ছি। কোন অন্যায় কাজে নিজেও লিপ্ত হব না, অন্যকেও ইনশাল্লাহ করতে দিব না। এবং আমি মনে করি গত তিনবার সংসদ সদস্য ছিলাম, এবার নিয়ে চারবার হয়েছি। একটি কলমও আমাকে নিয়ে লিখার সুযোগ পায়নি। আমি সেভাবেই চলার চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরো বলেন,‘আমরা এই মন্ত্রণালয়কে, এই পরিষদকে একটি মডেল পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই সেক্টরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে এমন কেউ নেই যে এর সঙ্গে সংস্লিষ্ঠতা নেই। এটা আমাদের জন্য বড় পাওয়া। এটাকে আমরা কাজে লাগাতে চাই।’

ক্রীড়াঙ্গনে মেধা খুজে বের করা ও প্রশিক্ষণের বিষয়েও জোর দেন তিনি। তার মতে,‘প্রশিক্ষনের কোন বিকল্প নেই। যতই ট্যালেন্ট নিয়ে আসি, প্রশিক্ষণ না দিলে ঝরে যাবে। আমি প্রতিটি ফেডারেশনের সঙ্গে বসবো। এটাকে সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দেবো।’ দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের সদর দফতর হিসেবে খ্যাত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকার পরিবেশ উন্নয়নে উদ্যোগী হওয়ার কথাও জানান তিনি। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘এই স্টেডিয়ামটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে। তার নামের সঙ্গেও আমি মনে করি সাংঘার্ষিক হচ্ছে। আমি চেষ্টা করবো এটার পরিবেশ মানসম্পন্ন করা যায়। সবার সঙ্গে বসে এটা ঠিক করবো। বিদেশীদের কাছে ভাবমূর্তি সংকট তৈরী হয়। এর থেকে উত্তরণের জন্য অবশ্যই আমার পক্ষ থেকে চেষ্টা থাকবে।’