লিভারপুলের বিদায়

এফএ কাপ

স্পোর্টস ডেস্ক

লিভারপুল উলভারহ্যাম্পটনের কাছে ২-১ গোলে হেরে এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছে।

আগের দিনই কোচ য়ুর্গেন ক্লপ বলেছিলেন, শুধু এফএ কাপ শিরোপায় মন ভরবে না তার দলের সমর্থকদের। সে কথা মাথায় রেখেই হয়তো এ ম্যাচের একাদশই খোলনলচে পাল্টে দিলেন তিনি! ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ থেকে হেরে ফেরা দল থেকে শুধু জেমস মিলনার ও দেজান লভরেন ছিলেন এ ম্যাচের শুরুর একাদশে।

সোমবার রাতের ম্যাচটিতে উলভসের মাঠে কিছুটা কোণঠাসা হয়েই শুরু করে লিভারপুল। ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই মুহুর্মুহু আক্রমণে অল রেডদের দিশেহারা করে দিচ্ছিল স্বাগতিকরা। ৩৮ মিনিটে প্রতি আক্রমণ থেকে করা উলভস ফরোয়ার্ড রাউল হিমেনেজের গোলে পিছিয়ে পড়ে ক্লপের শিষ্যরা। এক গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করা লিভারপুল সমতায় দিভোক অরিগির গোলে ফেরে ৫১ মিনিটে।

তবে চার মিনিট পরেই উলভস ফরোয়ার্ড রুবেন নেভেস লক্ষ্যভেদ করলে আবারও এক গোলের অগ্রগামিতা ফিরে পায় উলভারহ্যাম্পটন। পিছিয়ে পড়ে সমতায় ফেরার জোর প্রচেষ্টা চালায় লিভারপুল। তবে ফরোয়ার্ডদের বেশ কয়েকটি প্রয়াস অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৯ মিনিটে জেরদ্রান শাকিরির শট তো রীতিমতো বারপোস্টে লেগেই ফিরে আসে! যোগ করা সময়ে ফ্যাবিনহোর হেড বাঁচিয়ে দেন উলভস গোলরক্ষক। ফলে হার নিয়ে এফএ কাপ থেকে বিদায় নেয় লিভারপুল।

এর আগে ২০১৭ সালে এই উলভারহ্যাম্পটনের কাছেই ঘরের মাঠে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ক্লপের শিষ্যদের।

ম্যাচ শেষে লিভারপুল ফরোয়ার্ড জেরদ্রান শাকিরি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা এ ম্যাচের পরে হতাশ, কেননা আমরা হেরে গিয়েছি, তবে আমি মনে করি এই ফলের যোগ্য ছিলাম না আমরা, কেননা আমরা ভালো ফুটবলই খেলেছিলাম। আমরা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা সবকিছুই করতে চেয়েছিলাম এবং আপনি দেখবেন আমাদের এমন মনোভাব শেষ মিনিট পর্যন্ত ছিল। আমরা সবকিছুই চেষ্টা করেছিলাম।’

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোল শোধের চার মিনিটের মধ্যেই আবারও পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। এরপর শাকিরির একটি প্রয়াস প্রতিহত হয় বারপোস্টে। সুইস এই স্ট্রাইকার মনে করেন ম্যাচে কিছুটা দুর্ভাগ্যও সঙ্গী ছিল লিভারপুলের। শাকিরির ভাষায়, ‘কিছু কিছু সময় ভাগ্যেরও প্রয়োজন হয় আপনার আর সেই ফ্রি কিকটা খুবই দুর্ভাগা ছিল। আমি মনে করেছিলাম সেটা জালে জড়িয়েই গেছে কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা আর হয়নি।’