চক্ষু শিবিরে গিয়ে চোখ হারানো ২০ জনকে ক্ষতিপূরণের চেক দিলো ইমপ্যাক্ট কর্তৃপক্ষ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা ইমপ্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের চক্ষু শিবিরে গিয়ে চোখ হারানো ২০ জনকে ক্ষতিপূরণের সর্বমোট ১ কোটি  টাকার চেক দিলো ইমপ্যাক্ট কর্তৃপক্ষ। উচ্চ আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আদালতের নির্দেশে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম ২০ জনের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন।

চেকপ্রাপ্তরা হলেন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা গ্রামের লাল মোহাম্মদ, একই উপজেলার রংপুর গ্রামের এখলাস আলী, সোনাপট্টীর অবনী দত্ত, এনায়েতপুর গ্রামের মীর ইয়াকুব আলী, কুটিপাইকপাড়ার যমুনা বালা ওরফে উষা রানী, স্টেশনপাড়ার কুটিলা খাতুন, মোড়ভাঙ্গা গ্রামের আহম্মেদ আলী, খাসবাগুন্দা গ্রামের খোবিরোন নেছা, নতিডাঙ্গা গ্রামের ফাতেমা খাতুন ও হারদী গ্রামের হাওয়াতন নেছা, সদর উপজেলার আলুকদিয়া গ্রামের ওলি মুহাম্মদ, একই উপজেলার গাইদঘাট গ্রামের গোলজার হোসেন, দামুড়হুদা উপজেলার সদাবরী গ্রামের হানিফা খাতুন, একই উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের তায়েপ আলী, মদনা গ্রামের মধু  হালদার, বড়বলদিয়া গ্রামের আয়েশা খাতুন, কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের গোলজান খাতুন, মজলিসপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম, চিত্লা গ্রামের নবিছদ্দিন ওরফে নবী ও জীবননগর উপজেলার সিংনগর গ্রামের আজিজুল হক।   

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম জানান, উচ্চ আদালতে ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিটকারীর পক্ষে শুনানী শেষে গত ২১ অক্টোবর আদালত আদেশ দেন।

চুয়াডাঙ্গা ইমপ্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ডা. সাইফুল ইমাম জানান, একই অস্ত্রোপচারে যে ৩ জনের আংশিক ক্ষতি হয়েছে তাদেরকেও আমরা ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লাখ টাকা করে ১৫ লাখ টাকা দিচ্ছি।