বাংলাদেশের কৃষিতে বিপব ঘটে গেছে। কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়াসহ কৃষির আধুনিকায়নে কাজ করছে সরকার। তারপরও বাংলাদেশের কৃষক মানে জীবনধারণের পেশা যাদের কৃষি এবং এই বিশাল কৃষিজীবী গোষ্ঠীমাত্রই দারিদ্র্যের প্রতিচ্ছবি। পেশাজীবী কৃষক ভালো নেই। কৃষির জোয়ার এসে গেছে কিন্তু কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন হচ্ছে না সেরকমভাবে। বাংলাদেশের কৃষক মানে বঞ্চিত অবহেলিত অভাবগ্রস্ত দারিদ্র্যের প্রতিনিধি বিশ্ব মানচিত্রে। অথচ পৃথিবীর অনেক দেশেই কৃষিজীবীরা সম্মানিত ও আর্থিকভাবে সচ্ছল অন্য পেশাজীবীদের চেয়ে। কৃষি নিয়ে সাংবাদিকতা করেন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। তিনি দেশি-বিদেশি কৃষি ও কৃষকদের নিয়ে প্রতিবেদন করে থাকেন নিয়মিত। বাংলাদেশের কৃষির উন্নয়নের সুখবর থাকে তাতে। অল্প কিছু কৃষিজীবীই এই কঠিন বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে সাফল্যের পথ দেখে। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবন অত্যন্ত মানবেতর। কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার কৃষকদের কঠোর পরিশ্রম ও কৃষিক্ষেত্রে সময় বাঁচাতে সাহায্য করছে। কৃষিতে প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। সরকারও কৃষিক্ষেত্রে উত্সাহী ও আন্তরিক। বর্তমান দায়িত্ব নেওয়া সরকারের আগেই পরিকল্পনা আছে গ্রামের দিকে নজর দেওয়া। গ্রামকে শহরের সুযোগ-সুবিধায় রূপান্তরের সংকল্প তাদের। গ্রামকে শহর বানানো যেমন ভালো উদ্যোগ, তেমনি গ্রামে বসবাসকারী বিশাল জনগোষ্ঠী যাদের জীবিকা কৃষি তাদের ভাগ্য পরিবর্তনও জরুরি। বাংলাদেশের কৃষক ধৈর্যশীল ও পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়নশীল কৃষকের উন্নতি সম্ভব। বিশ্ব দরবারে আমাদের কৃষক মানে দারিদ্র্যের মডেল। এ থেকেও পরিত্রাণ জরুরি। কৃষক সচ্ছল হলে দেশ বদলে যাবে। বদলে যাবে গ্রামও।
মির্জা আবু হেনা কায়সার টিপু
উত্তরা, ঢাকা