কপোতাক্ষ নদের এপারে তালা উপজেলার শার্শা, সরুলিয়া, সেনেরগাতি, ধানদিয়া, কেশনগর, পাঁচপাড়াসহ ৮ থেকে ১০টি গ্রাম। ওপারে যশোরের কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান সাগরদাঁড়ি। ওই স্থানে কপোতাক্ষ নদের ওপর নির্মিত চলাচলের জন্য একমাত্র বাঁশের সাঁকোটি স্রোতে ভেসে আসা কচুরিপানার চাপে ভেঙে পড়ায় দুই পারের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। প্রায় এক মাস ধরে নদের দু’পারের মানুষ, বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটক ও দর্শণার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বাঁশের সাঁকোটি পুনরায় সংস্কার করতে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় কপোতাক্ষ নদের দু’পারের মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, নদের ওপারে সাতক্ষীরা জেলার শার্শা, সরুলিয়া, সেনেরগাতি, ধানদিয়া, কেশনগর, পাঁচপাড়াসহ ৮ থেকে ১০টি গ্রামের মানুষ সপ্তাহের শনি, সোম ও বুধবার সাগরদাঁড়ির হাটে আসেন মালামাল কেনাকাটার জন্য। এছাড়া সাগরদাঁড়িতে রয়েছে কলেজ, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওপার থেকে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকসহ শিক্ষকরাও যাতায়াত করতেন ওই সাঁকো দিয়েই। সাগরদাঁড়ি বাজার কমিটি প্রায় এক লাখ টাকা খরচ করে সাঁকোটি তৈরি করেন।
সরেজমিনে ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় দু’পারের মানুষ পারাপার হতে দেখা গেছে।
সাগরদাঁড়ি বাজার কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, গত বছর প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় করে সাঁকোটি পুনরায় সংস্কার করা হয়। প্রায় এক মাস আগে সাঁকোটি ভেঙে গেলেও স্থানীয় প্রশাসন সংস্কারে উদ্যোগ নেয়নি। বিষয়টি সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসি