ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। দেনাদার ও তার স্ত্রীর বেধড়ক পিটুনিতে মারা যান ওই ব্যবসায়ী। শুক্রবার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের চারুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ দুইজনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
নিহত ডেকোরেটর ব্যবসায়ীর নাম কবির হোসেন ওরফে ছোটন মিয়া।
আটক দম্পতির নাম সেলিম মিয়া ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার। তারা একই গ্রামের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে লাভলী আক্তার বাদি হয়ে সেলিম মিয়া ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তারকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
থানায় অভিযোগ ও নিহতে পরিবার জানায়, কবির মিয়ার কাছ থেকে প্রায় ৯ মাস আগে সেলিম মিয়া ৪৩ হাজার টাকা ধার নেন। দীর্ঘ সময় ধরে ওই টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রতি দিলেও সেলিম তা করেন নাই। পরে শুক্রবার ১০ হাজার টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন দেনাদার সেলিম মিয়া। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পাওনাদার কবির হোসেন টাকা আনতে সেলিম মিয়ার বাড়িতে গেলে সেলিম মিয়া ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এনিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ওই দম্পতি কবির হোসেনের বুকে ও তলপেটে সজোরে ঘুসি ও লাথি মারতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের বেধড়ক পিটুনিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে কবির হোসেন।
পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কবির হোসেনকে মৃত ঘোষাণ করেন।
কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, নিহতের শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাতের কিছু চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী স্ত্রী দুইজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসি