রংপুরে ট্রাকের ধাক্কায় সুলতান মিয়া (৭০) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে রংপুর নগরীর হাজিরহাট থানার নজিরের হাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীসহ আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
হাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানান, সুলতান মিয়া নজিরেরহাট এলাকার বাসিন্দা। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে ছেলে ও নাতিকে সঙ্গে নিয়ে নজিরেরহাট বাজারে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে একটি ট্রাক মোটর0সাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সুলতান মিয়া মারা যান। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন সুলতান মিয়ার ছেলে রনি আহমেদ (২৮) ও নাতি (১০)। তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
নৈশপ্রহরীর লাশ উদ্ধার
এদিকে রংপুর সদরের ভুরারঘাট বাজার থেকে জহুরুল হক ভোলা (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরহেদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভোলা ওই বাজারের একটি গোডাউনের নৈশপ্রহরী ছিলেন। শনিবার সকালে রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নের ভুরারঘাট বাজার থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জহুরুল হক ভোলা পেশায় একজন ভ্যানচালক। ভুরারঘাট বাজারের পাশে তার বাড়ি। তিনি দিনের বেলা ভ্যান চালালেও রাতে ওই বাজারের ফরহাদ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর গোডাউনের নৈশপ্রহরী হিসেবে থাকতেন। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাজারে এসে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে।
গোডাউন মালিক ফরহাদ হোসেন জানান, তার গোডাউনের ভিতরে দরজা বন্ধ করে পাহারা দিতেন জহুরুল হক। সেখানে ধান ও নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল ছিল। দুর্বৃত্তরা কৌশলে জহুরুল হককে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করতে পারে। সকালে গোডাউনের দরজা খোলা পাওয়া যায় এবং সেখান থেকে কয়েক লাখ টাকা ও কিছু মালামাল দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে।
ইত্তেফাক/ইউবি