নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে উত্তর কোরিয়ার জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে পিয়ংইয়ংয়ের আরো জোরালো ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। ওয়াশিংটন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের আলোচনা থেমে যাওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি বৃহস্পতিবার এ কথা বলেন।

মুন বলেন, উত্তর কোরিয়ার অব্যাহত নিরস্ত্রীকরণ প্রচেষ্টা সহজতর করতে ও একটি ‘শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র’ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতির এবং ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত চলা কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘোষণার মতো অনুরূপ বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয় অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। ‘কোরীয় উপদ্বীপের নিরস্ত্রীকরণের’ ব্যাপারে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত তাদের প্রথম সম্মেলনে স্বাক্ষরিত চুক্তির কথা উল্লেখ করে মুন স্বীকার করেন, এ চুক্তিতে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

নিরস্ত্রীকরণের ধারণা ট্রাম্পের দাবি থেকে ভিন্ন নয়, কিমের এ দাবির বিষয়ে তার সংশয়ের কথা তুলে ধরে সিউলের ব্লু হাউজে সাংবাদিকদের মুন বলেন, ‘ট্রাম্প, শি জিনপিং, পুতিন ও আমাকেসহ বিদেশি অনেক নেতাকে কিম আশ্বাস দিয়েছেন যে, এক্ষেত্রে পোষণ করা তার ধারণা আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের দাবি থেকে আলাদা কিছু নয়। তবে এ বিষয়ে আমার সংশয় রয়েছে।’

মুন আরো বলেন, এ সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার নেতার চীন সফরের কারণে মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে শিগগিরই দ্বিতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি চেয়ারম্যান কিম জং উনের চীন সফর যুক্তরাষ্ট্র-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সম্মেলনের সফলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক হবে।’ তিনি বলেন, দ্বিতীয় সম্মেলনে করা চুক্তিতে উভয়পক্ষের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়টি সুস্পষ্ট করা হবে।