কলেজছাত্রীর চুল কেটে নির্যাতন: মূল হোতা রায়হানের স্ত্রী গ্রেফতার

নওগাঁর নিয়ামতপুরে কলেজছাত্রীর মাথার চুল কেটে ও অশ্লীল ছবি তুলে ইন্টারনেটে প্রচারের মূল হোতা রায়হানের স্ত্রী রূপাকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া ও সহকারী পুলিশ সুপার (মান্দা সার্কেল) মতিয়ার রহমান নির্যাতনের শিকার কলেজছাত্রী সুমীকে দেখতে নিয়ামতপুর হাসপাতাল ও আসামির বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।

থানা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫ টায় অভিযান চালিয়ে জেলার মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নে রূপার ফুফুর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঘটনাটি গত ২০ সেপ্টেম্বর ঘটেছে। কিন্তু ২১ সেপ্টেম্বর অভিযোগ পাই। অভিযোগের পূর্বেই মূল আসামি রায়হানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার স্ত্রী রূপা যে নিজে সুমীর মাথার চুল কেটে দিয়েছে তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে বাকী আসামিদের সম্পর্কে জানার জন্য।’

আরও পড়ুন: কাঠের বোটে টেকনাফে ফিরেছে সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া পর্যটকরা 

নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, ‘মূল হোতা রায়হানকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তার স্ত্রী রূপাকেও গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে যেই জড়িত থাকুক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উপজেলার ঝাজিরা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে রায়হান ও তার কয়েকজন বন্ধু একই উপজেলার শাংশৈইল গ্রামের আমিরুল ইসলামের মেয়ে ও নিয়ামতপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী সুমীকে জোরপূর্বক ভাড়া বাড়িতে আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।

ইত্তেফাক/এএএম