বন্দি হস্তান্তর সম্পন্ন
g হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী, সিলেট অফিস
সিলেট শহরতলীর বাদাঘাটে নবনির্মিত কারাগারে বন্দি স্থানান্তর সম্পন্ন হয়েছে। গত শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে বিকালে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে বন্দি স্থানান্তর। বন্দি স্থানান্তরের প্রক্রিয়ায় নেয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ বন্দি স্থানান্তরের মধ্য দিয়ে ২২৯ বছর পর নতুন ঠিকানা পেল সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আব্দুল আজিজ জানান, পুরাতন কারাগারে থাকা ২ হাজার ৩০০ বন্দিকে নতুন কারাগারে নেয়া হয়েছে। কয়েদি ৭৮৮ ও হাজতি বন্দি ১৫২২ জন। এদের মধ্যে ৫৬ জন নারী বন্দি রয়েছেন। বন্দি স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে নেয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরাতন ও নবনির্মিত কারাগার এবং বিভিন্ন পয়েন্টে মোতায়েন ছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সূত্র জানায়, নতুন কারাগারে বন্দি ধারণ ক্ষমতা দুই হাজার। ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর এটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারাগারটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ২৭০ কোটি টাকা। উদ্বোধনের পরপরই নতুন কারাগারের নিয়ন্ত্রণ নেন কারা কর্তৃপক্ষ। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের পুরাতন থেকে নতুন ভবনে বন্দি স্থানান্তরের কারণে ৩ দিন বন্দিদের সাথে স্বজনদের সাক্ষাত্ বন্ধ রয়েছে। আজ রবিবার থেকে আবারো বন্দিদের সাথে দেখা করতে পারবেন স্বজনরা। এ নিয়ে নোটিস জারি করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
১৭৮৯ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ২৪ দশমিক ৬৭ একর জমির উপর নগরীর ধোপাদিঘীরপাড়ে নির্মাণ করা হয় সিলেট জেলা কারাগার। তত্কালীন কালেক্টর জন উইলিয়াম প্রায় ১ লাখ ভারতীয় রুপি ব্যয়ে এটি নির্মাণ করেন। ১৯৯৭ সালে এটি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের মর্যাদা পায়। তখন এর ধারণ ক্ষমতা দাঁড়ায় ১ হাজার ২১০ জনে।