আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সংলাপ দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, এখন নতুন নির্বাচন নিয়ে সংলাপের দাবি একেবারেই হাস্যকর। এ যেন মামা বাড়ির আবদার। যেখানে ভোট নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, বিতর্ক নেই, গণতান্ত্রিক বিশ্ব শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে, সেখানে এ ধরনের সংলাপের কোনো যৌক্তিকতা কিংবা বাস্তবতা বা প্রয়োজনীয়তা এই মুহূর্তে নেই।
গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, বিএনপি যে ভোট ডাকাতির অভিযোগ তুলেছে, তার কোনো সারবত্তা নেই। নির্বাচনে চরম পরাজয়ের বেদনা ভুলতে তারা এখন ভোট ডাকাতির কথা বলছে।
আওয়ামী লীগের আগাম কাউন্সিলের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগামী অক্টোবরে কাউন্সিল হবে। এর আগে কোনো সম্মেলন হবে না।’ এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চলমান মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে। এখন থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান। বিআরটিএর অভিযান প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘মাঝখানে নির্বাচন থাকায় বিআরটিএর অভিযান স্থগিত ছিল। একারণে অনিয়ম বেড়ে গেছে। আজকে ২ ঘণ্টার মধ্যেই ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা, ৮টি গাড়ি জব্দ এবং তিন জনের জেল ও ৪২টি মামলা করা হয়েছে। এই অভিযান নিয়মিত চলবে। বিআরটিএকে এই অভিযান আরো জোরদার করতে বলা হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ‘এক রাতে তো আর পরিবর্তন হবে না। সামগ্রিকভাবে আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি। শুধু যে চালকের জন্য এক্সিডেন্ট হয় তা নয়, যাত্রী ও পথচারীর জন্যও দুর্ঘটনা হয়। কাজে এ বিষয়গুলোতে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে, নইলে আমরা রাস্তায় অনিয়ম বিশৃঙ্খলা দূর করতে পারবো না।’’’