সুপার ওভারে গিয়ে জয়ের হাসি মুশফিকদের

নাটকীয়তায় ভরা খেলায় সুপার ওভারে জিতে শেষ হাসি হাসল মুশফিকুর রহিমের চিটাগং ভাইকিংস। দলের জয়ে বড় অবদান ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার রবি ফ্রাইলিঙ্কের। গতকাল শনিবার খুলনা টাইটানসকে হারিয়ে বিপিএলের এবারের আসরে দ্বিতীয় জয় তুলে নিল চিটাগং। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জয়ের সুবাদে চট্টগ্রামের দলটি পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এল। অপরদিকে টানা চতুর্থ হারে খুলনা সর্বনিম্ন স্থানেই থাকল।

গতকাল দল দুটি নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫১ রানেই খেলা শেষ করায় এদিন প্রথমবারের মতো বিপিএলে সুপার ওভারের প্রয়োজন পড়ে। বিপিএলের ইতিহাসেই এটা প্রথম সুপারওভারে শেষ হওয়া ম্যাচ।

মুশফিকের দল এতে ১১ রান করেই জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়। প্রথম বলেই চার মেরে চিটাগং ভাইকিংসকে আশা জাগান ডেলপোর্ট। দ্বিতীয় বলে এক রানের পর                 তৃতীয়টিতে ফ্রাইলিঙ্ক চার মারেন। চতুর্থ বলে তিনি বোল্ড হয়ে গেলে মুশফিকুর পঞ্চম বলে আরেক রান যোগ করেন। পরের বলে ডেলফোর্ট একটি সিঙ্গেল নেন।

খুলনা ১২ রানের লক্ষ্য পেলেও দলটি কেবল একবারই চারের মার মারতে পেরেছিল। প্রথম বলে এক রানের পর মালানই ওই চারটি মেরেছিলেন। তারপরও দুই উইকেট হারিয়ে ১০ রানে সুপার ওভার শেষ করে তারা।

ফ্রাইলিঙ্কই ছিলেন কালকের এ খেলাটিতে মূল ম্যাচ ও সুপার ওভারে চিটাগংয়ের জয়ের নায়ক। জয়ের আনন্দে আত্মহারা মুশফিক তো দক্ষিণ আফ্রিকার এই অলরাউন্ডারের কোলেই চড়ে বসেন খেলা শেষে।

খুলনার দেয়া ১৫২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেষ ওভারে চিটাগংয়ের যখন জয়ের জন্য ১৯ রানের দরকার সেই সময়েও বুক চিতিয়ে দাড়ান এই ফ্রাইলিঙ্ক। আরিফুল হকের প্রথম বলে কোন রান পাননি নাঈম হাসান। দ্বিতীয়টিতে তিনি ছক্কা মারতে সক্ষম হলেও তৃতীয় বলে আউট হয়ে যান। সাত নম্বরে নামা ফ্রাইলিঙ্ক স্ট্রাইকে এসে চতুর্থ ও পঞ্চম বলে দুটি বিশাল ছক্কা মারলে দুদলের রান সমান হয়ে যায়।

অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচ সেরা হন চিটাগংয়ের অলরাউন্ডার ফ্রাইলিঙ্ক।