দিনাজপুরে হঠাত্ করে কেজিতে সব ধরনের চালের দাম ২/৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু বাড়েনি ধানের দাম। চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মিল মালিকরা অধিক মুনাফা করলেও ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক। কারণ অধিকাংশ কৃষকই মিল মালিকদের কাছে ধান বিক্রি করে দেন। তাই চালের দাম বাড়লেও মধ্যস্বত্বভোগীরাই লাভবান হন। সার, বীজ, মজুরি এবং অনাবৃষ্টির কারণে সেচ কাজে এবার ধান উত্পাদনে খরচ বেড়েছে কৃষকদের। সেই তুলনায় দাম না পাওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ ঘরে তুলতে পারছেন না তারা।
তবে চালকল মালিকরা বলছেন, সরকারের ক্রয় অভিযান এবং বাজারে ধানের দাম বাড়ার কারণে চালের দাম বেড়েছে। আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন পর্যাপ্ত চাল মজুত থাকার পরও মিলারদের কারসাজির কারণে বেড়েছে দাম। দিনাজপুরের বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। ৩৫ টাকা কেজির আটাশ চালের দাম বেড়ে ৩৮-৩৯ টাকা, ৩২/৩৩ টাকার উনত্রিশ চাল ৩৫/৩৬ টাকা, ৪২ টাকার মিনিকেট বেড়ে ৪৭-৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
স্বর্ণা প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪৬০ টাকা। আগে ছিল ১৪শ টাকা। গুটিস্বর্ণা প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ টাকা আগে ছিল সাড়ে ১৪শ’ টাকা। আটাশ চাল প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০০ টাকা, আগে ছিল সাড়ে ১৭শ’ টাকা। উনত্রিশ প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৮শ’ টাকা, আগে ছিল ১৭শ’ টাকা। মিনিকেট প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ২৩শ’ টাকা, আগে ছিল ২১শ টাকা। হঠাত্ করেই চালের এই মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের ক্রেতাসাধারণ ক্ষুব্ধ ও হতাশ।