বিশেষ প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংলাপ নয়, গণভবনে নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনের আগে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টসহ যে ৭৫টি রাজনৈতিক দল সংলাপে অংশ নিয়েছিল তাদের সঙ্গেই শুভেচ্ছা বিনিময় করা হবে। এখানে কোনো সংলাপের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি না। গতকাল সোমবার বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ সফল করতে এ সভার আয়োজন করা হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে সারা বিশ্বের কোথাও কোনো সংশয় নেই, গণতান্ত্রিক বিশ্ব থেকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে। কেউ কোনো বিতর্ক কোনো প্রশ্ন না করেই। এখন সংলাপের দাবি হাস্যকর। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংলাপের কোনো সুযোগ নেই।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, এই বিজয় সর্বকালের সবচেয়ে বড় বিজয়। বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে এই আয়োজন। সবার অংশগ্রহণে ঐতিহাসিক বিজয় সমাবেশ উদযাপন করতে চাই।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, শিক্ষামন্ত্রী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর প্রমুখ।
বর্ষার আগেই সড়ক মেরামত ও সংস্কার কাজ শেষ করার নির্দেশনা
আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই সড়ক মেরামত ও সংস্কার কাজ শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর প্রধান, চলমান প্রকল্পসমূহের প্রধান এবং সওজ’র জোন প্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণকাজের গুণগতমান সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সড়ক-মহাসড়কের ওপর স্থাপিত কাঁচাবাজার ও ভাসমান দোকানপাট উচ্ছেদ করে মূলসড়ক উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে, এ কাজ সফলভাবে শেষ করতে হবে। তিনি বলেন, পরবর্তী পর্যায়ে সড়কপাশের অবৈধ স্থাপনা সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া পৌরসভা এলাকায় মহাসড়কের পার্শ্ব আবর্জনামুক্ত রাখতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে কঠোর নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মো. মশিয়ার রহমান, বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ ভুইয়া, ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান প্রকল্পসমূহের পরিচালক, সওজ অধিদপ্তরের জোন প্রধানগণসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।