দুমকিতে শ্রীরামপুর ও মুরাদিয়ার মধ্যবর্তী মুরাদিয়া নদীর উপর মাত্র ৬০ ফুট ব্রিজের অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হন শিক্ষার্থীসহ দুই ইউনিয়নের শত শত মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ও মুরাদিয়ার ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে মুরাদিয়া নদী, যা এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। খালের পাড়েই রয়েছে ২৭নং পশ্চিম মুরাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ মুরাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুরাদিয়া খালের উপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো দিয়ে পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে চায় না অনেক শিক্ষার্থী। এছাড়াও প্রায়ই শিক্ষার্থী ও পথচারীরা সাঁকো থেকে পড়ে আহত হচ্ছে।
২৭নং পশ্চিম মুরাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন নাহার জানান, সাঁকোর অপর পাড়ে রয়েছে বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী। এখানে একটি ব্রিজ হলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেত, তেমনি টিফিনের সময় তারা বাড়ি থেকে সহজে খেয়ে আসতে পারতো। অনেক শিশু ছাত্র বড়দের হাত ধরে পার হওয়ার আশায় সাঁকোর কাছে দাঁড়িয়ে থাকে। শ্রীরামপুর ইউনিয়নের মোঃ ছত্তার মোল্লাসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনপ্রতিনিধিরা আমাদের বার বার ব্রিজের প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ কথা রাখেনি।
এলাকাবাসী চায় সাঁকোর স্থলে একটি মজবুত পুল তৈরি হলে তারা আরো উপকৃত হবে। শঙ্কামুক্ত হবে শিশু-কািশোর শিক্ষার্থী সন্তানের পারাপার। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী দিপুল কুমার বিশ্বাস বলেন, বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে আয়রন ব্রিজের জন্য প্রধান প্রকৌশল অধিদপ্তরে কথা বলবো। যাতে করে এখানে দ্রুত একটি ব্রিজের ব্যবস্থা হয়।