রাজধানীতে বাসে অগ্নিসংযোগের তদন্তে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলীয় পরিচয় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি। শনিবার সকালে ডিএমপির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান উপ-পুলিশ কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন।
ডিএমপি কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন বলেন, ‘তারা কি কারণে বাসে অগ্নিসংযোগ ঘটালেন বা তাদের উদ্দেশ্য কি ছিল এগুলো আমরা জানার চেষ্টা করব। এবং সেইসঙ্গে তাদের সহযোগী কারা ছিল তারা কাদের নির্দেশনায় এ কাজগুলো করেছে সে বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করব। আমরা সতর্কতা হিসেবে পুলিশের টহল, চেকপোষ্ট এগুলো বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের গোয়েন্দা বৃদ্ধি করব।’
ডিএমপি জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নাশকতাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১০টি বাস পোড়ানোর ঘটনায় জড়িতদের বেশিরভাগকে এরই মধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে পরিচালক উপপুলিশ কমিশনার ওয়ালিদ হোসেন সময় সংবাদকে বলেন, নাশকতায় ভাড়াটে অপরাধীরা অংশ নেয়। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই বাস পোড়ানো হয়। রাজনৈতিক পরিচয়ধারী অনেক আসামি রয়েছেন যারা আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। বৃহস্পতিবারের ঘটনার পর রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর পল্টনে বিএনপি পার্টি অফিসের উত্তর পাশে একটি, মতিঝিল মধুমতী সিনেমা হলের সামনে, রমনা হোটেলের সামনে, শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে, সচিবালয়ের উত্তর পাশে, বংশাল থানা নয়া বাজারে ও পল্টন থানা পার্ক লিংক এলাকায় বাসে আগুন দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। তবে এ ঘটনায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ইত্তেফাক/বিএএফ