দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদকীয় কলামে গত ১৩ জানুয়ারি ‘গ্যাসপাইপ নিয়া উদাসীনতার দুঃখজনক দৃষ্টান্ত’ শিরোনামে প্রকাশিত লেখার বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে চিঠি দিয়েছে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ। চিঠিতে বলা হয়েছে ‘কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার নবীপুরের কান্দা বিলে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল)-এর প্রায় ১৫০ ফুট পাইপ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকৃতপক্ষে এটি বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল)-এর পরিচালনাধীন ১০ ইঞ্চি ব্যাসবিশিষ্ট সালদা-বাখরাবাদ গ্যাস পাইপলাইন। বিষয়টি ইতিমধ্যে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উক্ত পাইপলাইন পরিচালনার সঙ্গে জিটিসিএল-এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।’
তবে সম্পাদকীয় কলামে প্রকাশিত লেখাটি ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ পত্রিকায় ৯ জানুয়ারিতে প্রকাশিত ‘অরক্ষিত গ্যাস পাইপে আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ’ শিরোনামের সংবাদের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। ওই সংবাদে এটাও বলা আছে যে, দেবিদ্বার গ্যাস অফিসের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার অতুল কুমার বলেন, ‘নবীপুরেরকান্দায় যে লাইনটি তা বাখরাবাদ গ্যাসের আওতাভুক্ত নয়। লাইনটির মূল কর্তৃপক্ষ হচ্ছে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল)। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।’