বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে সোনারগাঁওয়ে সাংস্কৃতিক জোন গঠনের পরিকল্পনা --------সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, বর্তমান সরকার সংস্কৃতিবান্ধব সরকার। সোনারগাঁওয়ে বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে সাংস্কৃতিক জোন তৈরিসহ সরকার দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরে মাসব্যাপী লোক কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উত্সবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এই লোকজ উত্সব আমাদের সংস্কৃতির অংশ। আমাদের চিত্ত ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে এই মেলা। উত্সবে বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্যও ফুটে উঠে মেলায়।

ফাউন্ডেশনের পরিচালক কবি রবীন্দ্র গোপের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খোরশেদ আলম, সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম প্রমুখ।

এবারের মেলার আকর্ষণ ‘তামা-কাঁসা-পিতল শিল্পের’ বিশেষ প্রদর্শনী। পল্লী অঞ্চল থেকে ৬০ জন কারুশিল্পী প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন। তাদের জন্য ৩০টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহ ও মাগুরার শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাঁড়ি, চট্টগ্রামের নকশিপাখা, রংপুরের শতরঞ্জি, সোনারগাঁওয়ের হাতি ঘোড়া পুতুল ও কাঠের কারুশিল্প, নকশিকাঁথা, নকশি হাতপাখা, মুন্সিগঞ্জের শীতলপাটি ও পটচিত্র, মানিকগঞ্জের তামা-কাঁসা পিতলের কারুশিল্প, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কারুপণ্য, কিশোরগঞ্জের টেরাকোটা শিল্প, সোনারগাঁওয়ের পাটের কারুশিল্প, নাটোরের শোলার মুখোশ শিল্প ও ঢাকার কাগজের হস্তশিল্পসহ মোট ১৭০টি স্টল থাকছে মেলায়। মেলা চত্বর প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মেলা চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।