বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহণে সংগীত সন্ধ্যা ‘সুরের ছোঁয়া’র আয়োজন বসেছিল গতকাল। জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এই সংগীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। একাডেমির সংগীত ও যন্ত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে দলীয় সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, আধুনিক সংগীত, লালন সংগীতসহ ২০টি গান পরিবেশিত হয়। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এর ভাবনা ও পরিকল্পনায়, একাডেমির সচিব ও প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক ড. কাজী আসাদুজ্জামান এর তত্ত্বাবধানে এবং ইবনে রাজনের সংগীত পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‘ও আলোর পথযাত্রী’ এবং ‘সোনাই বান্ধাইয়া নাও’ দলীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে শুরু হয় পরিবেশনা। রবীন্দ্র সংগীত ‘একটুকু ছোঁয়া লাগে’ এবং ‘তোমার খোলা হাওয়ায়’ গেয়েছেন শিল্পী মোহনা দাস। ‘আজও মধুরও বাঁশি বাজে..’ এবং ‘নয়ন শরশী কেন..’ গান পরিবেশন করেন শিল্পী হিমাদ্রী রায়। ‘এমনি বরষা ছিল সেদিন..’এবং ‘হূদয় কাদা মাটি কোন মুর্তি নয়..’ গান পরিবেশন করেন শারমিন আক্তার। ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’ এবং ‘বন্ধু রঙ্গিলা রঙ্গিলা..’ পরিবেশন করেন শিল্পী আবিদা রহমান সেতু। ‘তখন তোমার একুশ বছর..’ এবং ‘বলছি তোমার কানে..’ পরিবেশন করেন শিল্পী সুচিত্রা রানী সুত্রধর। ‘কারো রবেনা এ ধন..’ এবং ‘তোমার দিলকি দয়া..’ পরিবেশন করেন শিল্পী রোকসানা আক্তার রুপসা। ‘ও যার নাম শুনিলে আগুন জ্বলে..’ এবং ‘ওরে তুই আমারে করলি পাগল..’ পরিবেশন করেন শিল্পী সরদার হীরক রাজা। ‘জীবনের এতগুলো দিন..’ এবং ‘ও ডাক্তার..’ গান পরিবেশন করেন শিল্পী আব্দুল্লাহেল-রাফি তালুকদার। ‘বাবা বলে ছেলে নাম করবে..’ এবং ‘আমায় ডেকোনা..’ গান পরিবেশন করেন শিল্পী মো. সোহানুর রহমান। এছাড়াও ‘বুকের ভিতর আকাশ নিয়ে..’ এবং ‘মঙ্গল হোক এই শতকে..’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন একাডেমির নৃত্যদল।