মৃত পতঙ্গের হাড়

কঙ্কালগুলোকে গ্রাস করতে চাইছে চাঁদ। যারা প্রহরীর

দায়িত্বে ছিল, তারা পালিয়েছে মধ্যদুপুরে। এখন এখানে

রাতের গহিন। ঘাসগুলোকে

         গলা টিপে ধরছে বন্ধ্যা আকাশ।

 

যে নারী আঁচল জড়িয়ে ঘুমুতে গিয়েছিলেন, সেই আঁচল

ছিঁড়ে ফেলছে একদল শকুন। নগর কর্তৃপক্ষ কুকুরগুলোকে

হত্যা করার পর, ওদের স্থান দখল করে নিয়েছে—

কিছু মনুষ্য-প্রজাতি। শিশুরা এখন বলাবলি করছে;

বেওয়ারিশ কুকুরগুলো কার্তিকেও কাউকে কামড় দিত না।

 

অথচ কিছু মানুষই নখর বসাচ্ছে অন্য মানুষের গায়ে।

রক্তাক্ত বক্ষ দেখে কেঁপে উঠছে পরিযায়ী পতঙ্গ।

সতীর্থদের হাড়ের পাশে বসে তারাও কাঁদছে।

 

এই বন্যগ্রামে তরুণ-তরুণীরা ভুলে গিয়েছে অনেক কিছুই!

হুংকার দেওয়ার শক্তি হারিয়ে কয়েকটি শবদেহের ছবি

                 আঁকছেন একজন প্রবীণ চিত্রকর।