লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মুমিনুল হক, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও শামসুর রহমানকে নিয়ে ব্যাটিং লাইনটা ঈর্ষন্বীয়। ব্যাটিং লাইনের লেজে উত্তাপ বাড়াতে আছেন জিয়াউর রহমান, সৈকত আলী, নাহিদুলরা। পেস বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলামই মূল অস্ত্র। সৌম্য, জিয়া, সৈকত আলীর মিডিয়াম পেস বোলিংয়ের সার্ভিসটাও তাদের হাতে থাকছে। স্পিনে তাইজুল ইসলাম, সঞ্জিত সাহা দ্বীপ ও যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের রাকিবুল।
সবমিলিয়ে পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ দল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। দুরন্ত সব পারফরমারে ঠাসা দলটার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ঘরোয়া ক্রিকেটের পরীক্ষিত ও সফল কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অধীনে মিঠুন বাহিনীর ঝলক দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা। বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে চট্টগ্রামের মিশন শুরু হচ্ছে আজ। মিরপুর স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকার মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম।
ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। দিনের প্রথম ম্যাচে জেমকন খুলনার বিরুদ্ধে লড়বে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে রাজশাহীর কাছে ২ রানে হেরে যাওয়া ঢাকা মুখিয়ে থাকবে জয়ের রথে ফিরতে। চট্টগ্রামের বিপক্ষে মুশফিক বাহিনীর জন্য কাজটা সহজ হবে না আজ। প্রথম ম্যাচে খুলনা-রাজশাহী থাকবে এগিয়ে যাওয়ার মিশনে। টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে জয় পেয়েছিল দুটি দল।
নিজের দল নিয়ে সন্তুষ্ট মিঠুন। এখন মাঠে প্রমাণ করতে চান দলের সামর্থ্য। গতকাল বিসিবি একাডেমি মাঠে অনুশীলন শেষে মিঠুন বলেছেন, ‘আমি দল নিয়ে অনেক খুশি। আমাদের অনেক ভারসাম্যপূর্ণ দল। মাঠে প্রমাণ করতে হবে যে দল হিসেবে আমরা কতটা ভাল। আমি মনে করি স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারলেই আমাদের যে দল তা দিয়ে ইতিবাচক ফল পাবো।’
অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়ে সম্মানিত বোধ করছেন মিঠুন। তিনি বলেছেন, ‘আমি আমার নিজের দিক থেকে শতভাগ চেষ্টা করব দলের সেরা পারফরম্যান্স বের করে আনতে।’
মাঠের বাইরে শক্তিমত্তার হিসেব-নিকেশ নিয়ে চিন্তিত নন মিঠুন। চট্টগ্রামের অধিনায়ক বলেছেন, ‘খেলার আগে অনেকেই চিন্তা করেছে খাতা-কলমে কারা কতটা শক্তিশালী। কিন্তু কালকে (মঙ্গলবার) খেলা দেখে একটা পরিষ্কার ধারণা এসেছে যে মাঠের খেলাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ খাতা কলমের না।’
আজও হাই স্কোরিং ম্যাচ আশা করছেন মিঠুন। লিটন, সৌম্যর মতো ব্যাটসম্যান থাকলেও চট্টগ্রামের অধিনায়ক দলীয় পারফরম্যান্সের দিকেই দৃষ্টি দিতে চান। সম্মিলিত পারফরম্যান্সে দলের জয় নিশ্চিত করাই তার মূল লক্ষ্য।
ইত্তেফাক/এসআই