অহংকার পতনের মূল। আচার-ব্যবহারে ভদ্র-অভদ্র চেনা যায়। আজকে নগদ কালকে ধার। এ প্রার্থনা থেকে পাপ দূর হবে না। একদিন পাপের ফল হাড়ে হাড়ে টের পাবে। এমন চোরের মতো বাঁচা বাঁচতে চাই না। ক্রোধ থেকে জন্মে মোহ, মোহ থেকে পাপ। কত ধানে কত চাল তা আমি জানি। কথায় কথা বাড়ে। কুকর্ম হতে বিরত হও। কথায় চিড়ে ভেজে না। কাজের বেলা গোল কোরো না। কাজে মন দাও। গুরুজনে কর নতি। গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল। গুণহীন চিরদিন থাকে পরাধীন। গাধায় খায় পাকা কলা। টাকায় বাঘের দুধ মেলে। জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো। তোমা দ্বারা এ কাজ হবে না সাধন। তাস খেলে কত ছেলে পড়া নষ্ট করে। তোমায় দেখলেও পাপ। তর্ক থেকে বিরত হও। তাকে হাতে না মারলেও ভাতে মারব। দরিদ্ররা ধনীকে ঘৃণা করে। পাগলে কী না বলে ছাগলে কী না খায়। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। দাসত্ব চিত্তকে সংকীর্ণ করে। নগরের নটী চলে অভিসারে যৌবনমদে। পুলিশে খবর দাও। পাপীকে ধিক। পণ্ডিতে পণ্ডিতে লড়াই চলে। ব্যবহারেই ইতর-ভদ্র চেনা যায়। মানুষকে মানুষ হতে হয়। মশা মারতে কামান দাগা। ভূতকে আবার কিসের ভয়। যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যা হয়। রাতে মশা দিনে মাছি, এই নিয়ে ঢাকায় আছি। রতনে রতন চেনে। রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি। রাজায় রাজায় লড়াই উলুখাগড়ার প্রাণান্ত। লোভে পাপ পাপে মৃত্যু। সোজা পথে চল না কেন? শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়। শাক দিয়ে মাছ ঢেকো না। হারি জিতি নাহি লাজ। সর্বাঙ্গে ব্যথা ওষুধ দিব কোথা। সব ঝিনুকে মুক্তা পাওয়া যায় না। যদি করি বিষপান তথাপি না যায় প্রাণ। মিথ্যারে কোরো না উপাসনা।
সংগ্রহ : লিয়াকত হোসেন খোকন
গতকালের ধাঁধার উত্তর : বই