বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোরদলের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দুইটি চুরির ঘটনায় খোয়া যাওয়া মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার (২৫ নভেম্বর) রাত থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এই উদ্ধার অভিযান চলে। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি ল্যাপটপ, তিনটি মোবাইল ফোন, একটি গ্যাস সিলিন্ডার, একটি গ্যাসের চুলা ও একটি সিস্টেম ইউনিট উদ্ধার হয়।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর সার্কেল) মো. গাজিউর রহমান, শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- পৌর শহরের বৃন্দাবনপাড়া এলাকার মুনছের আলীর ছেলে মো. জীবন (২৯), রামচন্দ্রপুর পাড়ার মৃত লাল খানের ছেলে মো. মোসাদ্দেক হোসেন মক্কা (৩৫), উত্তরসাহা পাড়া এলাকার দিলীপ চন্দ্র মোহন্তের ছেলে মদন চন্দ্র মোহন্ত (৩০), উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের রণবীরবালা গ্রামের জহুরুল ইসলাম মিলনের ছেলে মো. রাজু আহমেদ (৩০) ও সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুণ্ডি জমিদারপাড়া গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন শিমুল (৪০)।
আরও পড়ুন: স্বামী ওপর স্ত্রীর এসিড নিক্ষেপ: হাসপাতাল বলছে এসিড, পুলিশের আগ্রহ ‘অন্যকিছু’তে
শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আবুল কালাম আজাদ জানান, সম্প্রতি পৌর শহরের চুরির ঘটনা ঘটে বাড়তে থাকে। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়। এদিকে গত বুধবার দিনগত রাতে শহরের কলেজ রোড এলাকায় সংঘবদ্ধ তিনচোরকে আটক করে এলাকাবাসী। আর এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে চোরদের সোপর্দ করা হয়। পরে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি ও দেওয়া তথ্যে মালামালগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আটক হওয়া ব্যক্তিরা সবাই আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোরদলের সক্রিয় সদস্য। সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসি