কেন্দুয়ায় মত্স্য উত্পাদন বৃদ্ধিতে খাল খনন কাজ শুরু

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা

স্থানীয়ভাবে মত্স্য উত্পাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কেন্দুয়া উপজেলার চারটি খাল খনন কাজ শুরু হয়েছে। খালগুলো হলে,  উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের সাতারখালী খাল, কলকলিয়া খাল, সান্দিকোনা ইউনিয়নের বেতাইল খাল ও রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের বেতাই খাল। মত্স্য অধিদপ্তরের ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মত্স্য উত্পাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় গত ৫ জানুয়ারি থেকে এসব খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে এবং কাজ চলবে এপ্রিল মাস পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ‘জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মত্স্য উত্পাদন বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় মত্স্য অধিদপ্তর কেন্দুয়া উপজেলার সাতারখালী, কলকলিয়া, বেতাইল ও বেতাই খাল সংস্কারের (খনন) জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়। সাতারখালী খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় কিলোমিটার, প্রস্থ প্রায় ৪০ ফুট, কলকলিয়া খালের দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াই কিলোমিটার, প্রস্থ প্রায় ৪০ ফুট, বেতাইল খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় কিলোমিটার, প্রস্থ প্রায় ৪০ ফুট ও বেতাই খালের দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াই কিলোমিটার, প্রস্থ ৪০ ফুট। খালগুলোর দৈর্ঘ্য-প্রস্থ কম-বেশি হলেও প্রত্যেকটি খাল সংস্কারের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে সমান ২০ লাখ টাকা করে। চারটি খাল সংস্কারের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০ লাখ টাকা। এছাড়া একই প্রকল্পের আওতায় রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের প্রায় এক একর ৯২ শতাংশ আয়তনের একটি খাস পুকুর সংস্কারের জন্যও ৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। স্থানীয় লেভার কন্টাক্টটিক সোসাইটির (এলসিএস) মাধ্যমে পুকুরসহ ওই খালগুলো সংস্কারের কাজ চলছে।।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, যাচাই-বাছাই করে প্রকল্পগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কাজও শুরু হয়েছে। প্রকল্প সম্পন্ন হলে মাছের উত্পাদন বৃদ্ধি পাবে এবং এলাকাবাসীর ব্যাপক উপকার হবে।