গত ১১ জানুয়ারি ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না:তুহিন’ শিরোনামে একজন তারকার বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত এই বিবৃতিকে সম্পূর্ণ ভুল ও মিথ্যা দাবি করে অভিযোগ করে শিরোনামহীন।
অভিযোগপত্রে লেখা জিয়াউর রহমানের স্বাক্ষরকৃত বক্তব্য এখানে হুবহু তুলে ধরা হলো- ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ বাংলাদেশ কপিরাইট অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রার শিরোনামহীনের এক অভিযোগের ভিত্তিতে একটা রায় প্রকাশ করে। রায়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রকাশও করা হয়। গত ১১ জানুয়ারি ২০১৯ দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রদত্ত কপিরাইট রেজিস্ট্রারের রায়টিকে মতামত বলে প্রকাশ করে। ব্যান্ড শিরোনামহীনের ফাউন্ডার মেম্বারসংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য এবং জনাব তানজির তুহিনের শিরোনামহীনের অ্যালবাম কপিরাইট স্বাক্ষরবিষয়ক মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর সংবাদ প্রকাশ করে।
অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের পর কপিরাইট অফিস এবং শিরোনামহীনের সাথে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।
এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ দৈনিক ইত্তেফাকের মতো জাতীয় পত্রিকার কাছে কখনোই প্রত্যাশিত নয়। এই সংবাদের বিষয়টি কপিরাইট অফিসে জানানো হলে কপিরাইট অফিস দৈনিক ইত্তেফাকের কোনো ব্যক্তি কর্তৃক যোগাযোগ না করার ব্যাপারটি নিশ্চিত করে এবং এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তার আশ্বাস দেয়। প্রকাশিত এই মিথ্যা তথ্য প্রকাশ সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে আমরা অবগত।
প্রতিবেদকের বক্তব্য:প্রথমত, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না’ শীর্ষক খবরটি কোনো প্রতিবেদন নয়। এটি জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা তানজির তুহিনের নিজস্ব বক্তব্য। একজন জনপ্রিয় তারকা তার নিজস্ব অভিমত তার ফেসবুকে ভিডিও পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। আমরা তার সাথে কথা বলেই সেই ভিডিও বার্তা প্রকাশ করি। বিনোদন বিভাগে তারকাদের বক্তব্য ছাপানোর বিষয়টি খুবই স্বাভাবিক ও নিয়মিত। এটি কোনো বিষয়ভিত্তিক প্রতিবেদনও নয়। তাই পক্ষ-বিপক্ষ মত বা কপিরাইট অফিসের বক্তব্য নেওয়ার বিষয়টি আপনি যে উল্লেখ করেছেন তা তারকা মতামতের সাথে কোনো সংযুক্তি প্রকাশ করে না। পাশাপাশি আপনি লিখেছেন এটি মিথ্যে সংবাদ। অথচ তানজির তুহিনের বয়ানে ভিডিও ডকুমেন্টটিও আমাদের কাছে রয়েছে। যা আমরা হুবহু প্রকাশ করেছি। এখানে তার বক্তব্যের ভিত্তিতে আগামীতে শিরোনামহীনের অফিসিয়াল বক্তব্য আমরা প্রকাশ করতে পারি। এছাড়াও আপনার অভিযোগপত্রে দেওয়া অনুলিপি প্রাপক বামবা সভাপতি হামিন আহমেদের সাথে আমরা যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে আমরা তাকে আপনার অভিযোগপত্রটি পাঠিয়ে বিষয়টি অবগত করেছি। তাই বিষয়টি নিছক ভুল বোঝাবুঝি এবং এর প্রেক্ষিতে আপনাদের কোনো অফিসিয়াল বক্তব্য থাকলে তা অবশ্যই আমরা গুরুত্ব দিয়ে ছাপতে চাই।