ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ 

ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান মঙ্গলবার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ বদর বিন হামাদ বিন হামুদ আল বুসাইদির সঙ্গে তার দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন এবং বাংলাদেশ ও ওমানের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করেন। 

পূর্ব নির্ধারিত এ মতবিনিময় সভার শুরুতেই রাষ্ট্রদূত ওমানের সুলতানের বরাবরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রেরিত তার অনুকূলে `ক্রেডেনশিয়াল' সংক্রান্ত কাগজপত্রের আনুলিপি হস্তান্তর করেন। কাগজ গ্রহণ করে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানান।

উল্লেখ্য ওমানের প্রথা অনুসারে সুলতানের নিকট আনুষ্ঠানিক ‘ক্রেডেনশিয়াল’ হস্তান্তরের প্রাক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে এ সংক্রান্ত কাগজাতের অনুলিপি হস্তান্তর করা হয়। 

আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আমাদের জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে, বাংলাদেশের গত এক দশকের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। জবাবে রাষ্ট্রদূত ওমানের সঙ্গে বাংলাদেশের চার দশকের অধিক বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি চলমান সাধারণ ক্ষমায় আওতাভুক্ত শ্রমিকদের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে পুনঃনিয়োগ দেয়ার বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও তথ্য প্রযুক্তি পেশাজীবীর জন্য কর্মবাজার সৃষ্টি করার জন্য অনুরোধ করেন।

আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরকে স্মরণ রেখে, রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ওমানের বিগত চার দশকের অধিক থেকে চলে আসা শ্রম বাজারভিত্তিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে পরবর্তী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নির্ভর ‘দ্বিতীয় ধাপ’ এ উত্তরণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সূচককে আস্থায় রেখে উভয় দেশের বাণিজ্যিক সংগঠনের মধ্য সমন্বয় সাধনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

মতবিনিময় শেষে রাষ্ট্রদূত, আরবি ভাষায় অনূদিত এক খণ্ড “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” হস্তান্তর করেন ও চলমান ‘মুজিব বর্ষ’ উদযাপন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দূতাবাস আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। 


ইত্তেফাক/ইউবি