মদ ও নিষিদ্ধ ড্রাগজনিত সমস্যা আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে তাড়া করেছে সারা জীবনই। মৃত্যুর আগে সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্টেও তার রক্তে ধরা পড়েছিল ব্যাপক মাত্রার মাদক দ্রব্যের উপস্থিতি। কিন্তু মৃত্যু পরবর্তী ময়নাতদন্তে তার শরীরে পাওয়া যায়নি কোন মাদক বা নেশাজাত দ্রব্য। ম্যারাডোনার মৃত্যুর এক মাস পর বুধবার প্রকাশিত ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এই তথ্য জানা গেছে।
এই রিপোর্টে আরও উঠে এসেছে মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনার ফুসফুসের গতি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। মৃত্যুকালে তার ফুসফুস, যকৃত ও কিডনিও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় ছিল।
গত ২৫ই নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার, ডিয়েগো ম্যারাডোনা। প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন তিনি। চিকিৎসায় অবহেলার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে বলে বেশ কয়েকবার অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বা আদালত কোন রায় না দিলেও ম্যারাডোনার মনোবিদ অগাস্তিনা কোসাচভ এবং তার দীর্ঘদিনের চিকিৎসক লিওপোলদো লুক বর্তমানে পুলিশী তদন্তের অধীনে আছেন।
ইত্তেফাক/এসআই