খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ইউপিডিএফ কর্মী নিহত

খাগড়াছড়ি জেলা শহরের অনতিদুরে গাছবান এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে পিপলু বৈষ্ণব ত্রিপুরা ওরফে রনি (৪১) নামে এক ইউপিডিএফ (প্রসীত গ্রুপ) কর্মী নিহত হয়েছেন।

 

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুর্বৃত্তরা রনিকে তার শ্বশুরবাড়ির সামনে গুলি করে পালিয়ে যায়। রনি খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার বল্টুরাম টিলা গ্রামের মৃত নিগুমানন্দ বৈষ্ণবের ছোট ছেলে। খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

 

খাগড়াছড়ি সদর থানার পুলিশের একটি সূত্র জানায়, রনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সামরিক শাখার সাথে সম্পৃক্ত ছিল। তিনি ২০১৬ সালের ১৩ নভেম্বর খাগড়াছড়িতে যৌথ বাহিনী পরিচালিত এক অভিযানে একটি পয়েন্ট টু টু বোরের রাইফেল ও বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জামসহ ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট’র(ইউপিপিএফ) তৎকালীন সামরিক শাখার প্রধান উজ্জল স্মৃতি চাকমাসহ পিপলু বৈঞ্চব ওরফে রনি ত্রিপুরা গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

আরো পড়ুন : রায়পুরে ১২ মণ জাটকা জব্দ

তবে নিহত রনিকে নিজেদের সাবেক কর্মী দাবি করে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নিরন চাকমা রনিকে হত্যার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সংস্কারপন্থীদের দায়ী করে সাংবাদিকদের বলেন, একটি দুর্ঘটনায় পায়ে আঘাত পেয়ে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী অবস্থায় রনি জীবনযাপন করছিল।

 

ইউপিডিএফের অভিযোগ অস্বীকার করে জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় ছাত্র যুব বিষয়ক সম্পাদক এবং বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা জানান, এটি তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।  

 

 

ইত্তেফাক/ইউবি