সিএম মিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
বাংলায় মুঘল শাসন
গ্রন্থাগারের সিঁড়ি হতে পড়ে মারা যান — সম্রাট হুমায়ূন।
মুঘল সম্রাটদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিলেন —সম্রাট আকবর।
‘জিজিয়া কর’ রহিত করেন — সম্রাট আকবর।
আকবর নামা গ্রন্থের রচয়িতা —আবুল ফজল।
বাংলাকে জান্নাতাবাদ বলে ঘোষণা দেন — সম্রাট হুমায়ূন।
সম্রাট আকবর বাংলা বিজয় করেন — ১৫৭৬ সালে।
আকবর দিল্লির সিংহাসনে বসেন— ১৩ বছর বয়সে।
‘দীন-ই-এলাহী’ ধর্মের প্রচারক —সম্রাট আকবর।
সম্রাট আকবরের আমলে সমগ্র বাংলা যে নামে পরিচিত ছিল— সুবাহ-ই-বাঙ্গালাহ।
সম্রাট আকবরের রাজস্ব মন্ত্রী ছিলেন — টোডর মল।
‘মনসবদারী প্রথা’ প্রচলন করেন — সম্রাট আকবর।
বাংলার নববর্ষের প্রচলন করেন— সম্রাট আকর।
ওসমানী উদ্যানের সংরক্ষিত কামানটি ব্যবহার করেন — মীর জুমলা, আসাম যুদ্ধ।
‘Prince of Builders’ নামে পরিচিত ( সম্রাট শাহজাহান।
ভারতের তোতা পাখি খ্যাত— আমির খসরু।
বুলবুল-ই হিন্দ নামে খ্যাত — তানসেন — আকবরের সভাসদ)।
সম্রাট শাহজাহান নির্মাণ করেন— তাজমহল আগ্রার জামে মসজিদ ও সালমার উদ্যান।
বাংলাদেশকে ভারতের শস্যভাণ্ডার বলেন— বার্নিয়ার।
শেরশাহ :
‘পাট্টা’ ও ‘কবুলিয়ত’ প্রথার প্রবর্তন করেন — শেরশাহ।
সোনারগাঁও থেকে লাহোর পর্যন্ত গ্রান্ড ট্যাঙ্ক রোড নির্মাণ করেন— শেরশাহ।
ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম রূপার মুদ্রা ও ঘোড়ার ডাক প্রচলন করেন — শেরশাহ।
হোসেন শাহী শাসন :
বাংলার স্বাধীন সুলতানী আমল — দুই’শ বছর (১৩৩৮—১৫৩৮)।
বাংলার স্বাধীন সুলতানী যুগের অবসান হয় — ১৫৩৮ সালে।
হোসেন শাহী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সুলতান — আলাউদ্দিন হোসেন শাহকে।
বাংলার আকবর বলা হয় — আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজধানী ছিল — একডালা
গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন—আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।
গৌড়ের বড় সোনা মসজিদ ও কদম রসুল মসজিদের নির্মাতা— নুসরত শাহ।
বাংলায় প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন — ইলিয়াস শাহ।
পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন— ১৭৩৯ সালে।
ভারতবর্ষের কোহিনূর মণি ও ময়ুর সিংহাসন লুণ্ঠন করেন — নাাদির শাহ।
বাংলায় সুবেদারী ও নবাবী শাসন
ইসলাম খান বাংলায় সুবাদারী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন — ১৬১০ সালে।
বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থাপনের সময় মুঘল সুবেদার ছিলেন — ইসলাম খান (১৬১০ সালে)।
সুবেদার ইসলাম খান রাজধানী ঢাকার নাম রাখেন — জাহাঙ্গীরনগর।
ধোলাই খাল ও বুড়িগঙ্গা নদী খনন করেন — সুবেদার ইসলাম খান।
ঢাকা সর্বপ্রথম রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেন — ১৬১০ সালে।
বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন — মুর্শিদকুলী খান।
বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা— মুর্শিদকুলি খান।
বাংলায় স্বাধীন নবাবী আমলের সূচনা করেন— আলীবর্দি খান।
ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করার পূর্বে বাংলার রাজধানী ছিল — মুর্শিদাবাদ।
চট্টগ্রামের নাম ইসলামাবাদ রাখেন — শায়েস্তা খান।
ঢাকার বিখ্যাত ছোট কাটরা নির্মাণ করেন — শায়েস্তা খান।
বাংলার ইতিহাসে একই সাথে সুবেদার ও দেওয়ান পদে বহাল ছিলেন — মুর্শিদকুলি খান।
সুবেদার আমলে প্রথম বাংলায় ভূমি জরিপের ব্যবস্থা করেন — মুর্শিদকুলি খান।
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন — নবাব সিরাজ-উদ-দ্দৌলা।
মতামত: ০১৭১৪৭০৫৭২৭