আশ্রয়কেন্দ্রগুলো মজবুত ও টেকসই হবে
কক্সবাজার প্রতিনিধি
উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৪ এ চালু হলো বাঁশ টেকসইকরণ কেন্দ্র। শনিবার সকাল ১১টায় এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের প্রধান মো. আবুল কালাম এনডিসি। এসময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কার্যক্রম প্রধান মারিন ডিন কাজডমকাজ এবং ব্র্যাকের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির প্রধান মো. আবদুস সালাম।
কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত দুই লাখ চল্লিশ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকারের নীতি-নির্দেশনায় বাঁশের তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। এক জরিপে দেখা যায়, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে এ পর্যন্ত ২ কোটি ২০ লাখের মতো বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। বর্তমানে যে অপরিণত বাঁশ পাওয়া যাচ্ছে, তা মাত্র দুই বছরের মধ্যেই বদলাতে হবে। তাই ইউএনএইচসিআর ও ব্র্যাক যৌথভাবে এই বাঁশ টেকসইকরণ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। এর ফলে বাঁশগুলো ১০/১২ বছর পর্যন্ত টিকে থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের প্রধান মো. আবুল কালাম এনডিসি বলেন, ‘এখানে আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের মূল উপকরণই হচ্ছে বাঁশ। এই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বাঁশের স্থায়িত্ব বাড়ানোর ফলে একদিকে যেমন আশ্রয়কেন্দ্রলো মজবুত ও টেকসই হবে, অন্যদিকে পরিবেশের বিপর্যয়ও কমে আসবে।’
উদ্যোক্তারা জানান, এই টেকসইকরণ প্ল্যান্টে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ২০ জন রোহিঙ্গা শ্রমিক বরাক জাতের বাঁশ বরিক এবং সোহাগার দ্রবণে ডুবিয়ে রাখার কাজ করেন। ১০/১৫ দিন পর এগুলো দ্রবণ থেকে তুলে ৩/৪ দিন শুকানো হয়।