১ জুলাই ২০১৫ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ কার্যকর করা হয়। বর্তমান বেতন স্কেলে সকল কর্মচারীর জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) প্রতি বছরের ১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে এবং পূর্ব প্রচলিত দক্ষতার সীমা সংক্রান্ত বিধানাবলিও বিলুপ্ত করা হয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর ২০টি গ্রেড ভেদে বিভিন্ন হারে ইনক্রিমেন্টের ব্যবস্থা রেখে প্রত্যেক গ্রেডে আলাদাভাবে সর্বোচ্চ মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় যে, এর মধ্যে সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছানোর কারণে ২য় এবং ৩য় গ্রেডের কতিপয় কর্মচারী আগামী ১ জুলাই ২০১৯ তারিখে চাকরিরত বা পিআরএল অবস্থায় কিংবা পরবর্তী সময়ে পিআরএল পিরিয়ডে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় ঐ ইনক্রিমেন্ট থেকে বঞ্চিত হবেন। ফলে এককালীন প্রাপ্য আনুতোষিক যেমন কম পাবেন তেমনি মাসিক পেনশনও কম নির্ধারিত হবে। পেনশন যতদিন পর্যন্ত চলবে ততদিন পর্যন্ত কম পেতেই থাকবেন। অথচ কর্মচারীগণ মাত্র ২/১ বছর পরই কিন্তু পেনশনের ওপর ৫% করে ইনক্রিমেন্ট পাবেন। এ অবস্থ্থায়, বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছানো সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীগণ যেন চাকরিরত অবস্থায় কিংবা পিআরএল পিরিয়ডে এ ইনক্রিমেন্ট থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জনবান্ধব সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আশরাফ এ পাটোয়ারী
মতলব উত্তর, চাঁদপুর