ধসে পড়া ব্রিজ, ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো!

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা ও গোবিন্দপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এলাকায় একটি ধসে পড়া ব্রিজ পুনর্নির্মাণ না করায় এবং একই সড়কের অপর একটি জরাজীর্ণ ব্রিজসহ প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের অভাবে অন্তত ১৫ গ্রামের মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিকল্প সড়ক না থাকায় বাধ্য হয়েই এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে ভাঙা ব্রিজের ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে নিয়েছেন। ঝুঁকি নিয়ে দিনে-রাতে এই সাঁকো দিয়ে মানুষ পার হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মেঘনা উপজেলা সদর হতে প্রায় দুই কিলোমিটার দক্ষিণে কদমতলা বাস স্টেশন হতে মির্জানগর-দড়ি, মির্জানগর-আতাউল্লাহ কান্দিসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ এক যুগেরও অধিক সময় ধরে এভাবে চলাচল করছেন। ঐ এলাকার ব্যবসায়ী আনোয়ার মিয়া ও শিক্ষক আবদুর রহিমসহ অন্তত ১৫ জন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে, এর মধ্যে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে গেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও ভাঙা ব্রিজটি পুনর্নির্মাণ কিংবা রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়েই এলাকাবাসীর উদ্যোগে ভাঙা ব্রিজের ওপর একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। মানুষ ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো ব্যবহার করছে। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

গোবিন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাইন উদ্দিন বলেন, ভাঙা ব্রিজ ও রাস্তার দুরবস্থার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও এলজিইডি দপ্তরে আবেদন পাঠানো হয়েছে।

এলজিইডি-মেঘনা উপজেলা প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান বলেন, ভেঙে বিধ্বস্ত ব্রিজ ও ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে জনদুর্ভোগের বিষয়টি উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করি শিগিগর এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এমআর