পটকা মাছ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে দাদি ও নাতনির। অসুস্থ হয়েছেন আরো ৭ জন। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য। উপজেলার বারৈয়ারহাট পৌরসভার চিনকি আস্তানা এলাকায় বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। হতাহতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে।
রাত ৮টার দিকে ৭ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই দাদি ফজিলা খাতুন (৬০) ও তার নাতনি মরিয়মের (৩) মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন মরিয়মের বাবা শফিকুল ইসলাম (৩৫), মা বিলকিস (৩০), ভাই রাব্বি (১০) ও সাব্বির (৭) এবং বোন ঝর্ণা (৮) ও আতিয়া (২) এবং মরিয়মের মামা আমজাদ হোসেন (২৬)।
জানা গেছে, বারৈয়ারহাট পৌরসভার অধীনে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসাবে কাজ করেন মরিয়মের বাবা ও দুই মামা। তারা বারৈয়ারহাট পৌরসভার চিনকি আস্তানা এলাকায় ভাড়া বাসায় তারা থাকেন। সংসারের আর্থিক কষ্টের কারণে মরিয়মের দাদি ফজিলা খাতুন প্রতিদিন বারৈয়ার বাজারে পরিত্যক্ত মাছ কুড়াতে যান।
প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালে তিনি পটকা মাছ কুড়িয়ে আনেন। রান্না করা পটকা মাছ দুপুরে খেয়ে একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন সবাই। মাছ খাওয়ার পর তারা বমি করতে শুরু করেন। গুরুতর অসুস্থ হয়ে ফজিলা ও মরিয়ম ঘরেই মারা যান বলে জানিয়েছেন হোসেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, সাতজনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
ইত্তেফাক/আরকেজি