শার্শায় সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

যশোরের শার্শা উপজেলার মাঠগুলো এখন সরিষা ফুলে ভরে উঠেছে। যেদিকে তাকানো হয় সেখানে হলুদ আর হলুদ। আমন ধান ঘরে উঠার পর এবং বোরো চাষের পূর্বে অল্প সময়ে ও কম খরচে সরিষা চাষ করা যায় বলে শার্শার কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।

কৃষি সমৃদ্ধ উপজেলার নাম শার্শা। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া সকল ধরনের ফসল চাষের জন্য উপযোগী। এ উপজেলায় ধান, গম, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ফলজসহ তৈল জাতীয় বিভিন্ন ফসল চাষ হয়ে থাকে। পতিত জমিতে ও কম সময়ে সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন এখানকার কৃষকরা। সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলায় এ বছর ১২০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ১২৬০ হেক্টর জমিতে। 

এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করতে খরচ হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। বিক্রি হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। কার্তিক মাসে সরিষা চাষ শুরু হয় এবং কাটা হয় পৌষ থেকে মাঘ মাসের শেষ পর্যন্ত।

আরো পড়ুন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইনেই নেই ছাত্রসংসদ

অন্য বছরের চেয়ে এবার ফলন ভালো হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সরিষার ফলন বেশি হবে। মৌমাছিরা মধু সংগ্রহের জন্য ফুলে ফুলে ঘুরছে। শার্শা কৃষি অফিস থেকে উন্নত জাতের সরিষার বীজ, উপকরণ, বালাই নাশক সরবরাহসহ চাষ পদ্ধতিতে সহায়তা করে থাকে। উপসহকারী কৃষি অফিসাররা প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার সরিষার জমি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। 

শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার সৌতম কুমার শীল জানান, এ উপজেলায় এ বছর ১২০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ১২৬০ হেক্টর জমিতে। কম খরচে ও অল্প সময়ে পতিত জমিতে সরিষা চাষ করা যায় বলে শার্শার কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ