রংপুর অফিস
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ৫ দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় রবিবার উপজেলার চতরাহাট এলাকা থেকে শিরীনা বেগম (২৪) ও মাহফুজার রহমান মাফু (২৮) নামে দুই জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ধর্ষণের ঘটনায় ঐ স্কুলছাত্রীর মা থানায় মামলা করে। মামলার বাকি আসামিরা হলো চতরা গ্রামের আলমগীর হোসেন (৫৫) ও তার স্ত্রী নুপুর (৪৮), আমজাদ হোসেনের ছেলে খোকন (৩০), ছোটকুয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফা (৩০) ও জিয়া (৩০)। শিরীনা বেগম চতরাহাট এলাকার এমদাদুল হক বকুলের স্ত্রী ও মাহফুজার ছ্যানাগাড়ী-রঙ্গামাটি গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহারে জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রী গত ১২ জানুয়ারি স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে চতরা ধাপেরহাট টেম্পু স্ট্যান্ড সংলগ্ন এমদাদুল হক বকুলের ভাড়া বাসায় টয়লেটে যায়। এরপর তাকে আর বাড়ি ফিরতে দেয়নি অভিযুক্তরা। এদিকে মেয়ে বাড়ি না ফেরায় তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করতে থাকেন অভিভাবকরা। ঘটনার চার দিন পর গত বুধবার ওই ছাত্রীর মাকে মোবাইলে ফোন দিয়ে মেয়েকে নিয়ে যেতে বলেন শিরীনা। পরে এমদাদুল হক বকুলের বাসা থেকে মেয়েকে উদ্ধার করতে যান ওই ছাত্রীর মা। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তার মেয়েকে আটকে রেখে কয়েক ব্যক্তি ধর্ষণ করেছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনায় সাত জনকে আসামি করে পীরগঞ্জ থানায় মামলা করেন ছাত্রীর মা।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরেস চন্দ্র জানান, ‘থানায় মামলা হয়েছে। এটি একটি গণধর্ষণের ঘটনা। তাত্ক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মাহফুজার রহমান মাফু ও শিরীনা নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।