স্বাস্থ্য অধিদফতরের সেই আবজালের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে বরখাস্ত আবজাল হোসেনের দুই ভাই ও তিন শ্যালক দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদের তলবে হাজির হননি। তারা দুদকে উপস্থিত না হয়ে তিন সপ্তাহের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছেন। এ দিকে আবজাল হোসেনের সকল সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার আদালত এ নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

আদালতের নির্দেশের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পত্তির মালিক হওয়ায় দুদকের পক্ষ থেকে কোর্টে তার সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ করার নির্দেশের আবেদন করা হয়। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোর্ট তার সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে।’

সময় চেয়ে আবেদনের ব্যাপারে দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মোঃ শামছুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৬ জানুয়ারি আবজালের আত্মীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের এ পাঁচ কর্মচারীকে নোটিস দিয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তলব করা হয়। কিন্তু তারা উপস্থিত না হয়ে তিন সপ্তাহের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছেন। যেহেতু তারা সময় চেয়েছেন। তাই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আবার সময় দিয়ে তলব করবো।

আবজালের দুই ভাই ফরিদপুর টিবি হাসপাতালের ল্যাব সহযোগী মোঃ বেলায়েত হোসেন ও মোঃ লিয়াকত হোসেন, তিন শ্যালক স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাখালী কার্যালয়ের গাড়ি চালক মোঃ রফিকুল ইসলাম, একই অফিসের উচ্চমান সহকারী মোঃ বুলবুল ইসলাম ও খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অফিস সহকারী মোঃ শরিফুল ইসলাম।