সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও উপজেলা নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলাপ-আলোচনা জমে উঠেছে। এই নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে হঠাত্ করেই আলোচনায় এসেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস ও বন্দর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান। এ ছাড়াও, বন্দরে আরও কয়েকজন প্রার্থী রয়েছে। এই দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকারীকে চাচ্ছেন তৃণমূলপর্যায়ের অনেক নেতাকর্মী। ইতোমধ্যে তাদেরকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা গুঞ্জনও ভেসে বেড়াচ্ছে। তবে সদরে মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনিজাম বেশ শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।
অন্যদিকে, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চন্দন শীল বেশ কয়েকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নানা কারণে বিরত থেকেছেন। যে কারণে এবার উপজেলা নির্বাচনে এই নেতার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। এ ছাড়াও, সদর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেলের নামও শুনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের শরিক দল জাতীয় পার্টির কয়েকজন প্রার্থীও মনোনয়ন পেতে আগ্রহী। এতে দুই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিতে পারে। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও সদর এই দুটি উপজেলায় বিএনপি দলীয় প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলটির জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও বিএনপি দলীয় প্রার্থীরা নির্বাচনে জয়লাভ করে।
সূত্র বলছে, ‘গত উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও মহানগর বিএনপি সহসভাপতি আতউর রহমান মুকুলকে চেয়ারম্যান নির্বাচনে জয়ী করতে জাতীয় পার্টির পূর্ণ সমর্থন ছিল। মুকুল তার বিনিময়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিজ দলীয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ক্ষমতাসীন জাতীয় পার্টি দলটির প্রার্থী সেলিম ওসমানের নির্বাচন করেছেন।
আর বিএনপি দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করে তার নির্বাচন বয়কট করেছে। এবার বন্দর উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও জাতীয়পার্টির একাধিক প্রার্থী উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদের মধ্যে বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ, মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ সালাম, জাতীয়পার্টি থেকে কলাগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান ও বন্দর ইউপি চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিনের নাম শুনা যাচ্ছে। দলীয় সূত্র বলছে, এবার দলের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক।