মাগুরা সদর উপজেলার আবালপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী তনু বেগম জরায়ু টিউমারে আক্রান্ত হয়ে সদরের পলি ক্লিনিকে ভর্তি হন। অপারেশনে ডাক্তার নিজে উপস্থিত না থেকে দুইজন নার্সের হাতে অপারেশনের দায়িত্ব তুলেদেন। অপারেশনের পর রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তনু বেগমকে তড়িঘড়ি করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
মাগুরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পত্র ভুক্তভোগী তনু বেগমের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক মাগুরা সিভিল সার্জন ডাক্তার মুন্সী ছাদুল্লাহর কাছে দাখিল করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে সিভিল সার্জন ডাক্তার মুন্সী ছাদুল্লাহ রবিবার মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা: মোহাম্মদ শফিউর রহমান, একই হাসপাতালের অপর দুই চিকিৎসক ডা: শামসুন্নাহার লাইজু, ডা: সুব্রত কুমার বিশ্বাসকে নিয়ে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করেন।
আরো পড়ুন: কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, দায়িত্ব পেলেন উত্তরপ্রদেশের
এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ভুক্তভোগী পরিবারসহ সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়। তদন্ত টিম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ভুক্তভোগী তনু বেগমের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক, ননদ নাদিয়া সুলতানা বেলা, প্রতিবেশী সালমা বেগমের মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করেছেন।
এছাড়া ক্লিনিক মালিক ডাক্তার মোক্তাদুর রহমানের বক্তব্য নিয়েছেন তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হবে।
ইত্তেফাক/অনি