বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন একটি গুরুত্বপূর্ণ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিনত হয়েছে। ফোনকল থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার, ওয়েব ব্রাউজিং, গানশোনা, মুভি দেখাসহ অনেক কাজ আমরা স্মার্টফোন দিয়েই সেড়ে ফেলি। অনেকে আবার মোবাইল দিয়ে অফিসিয়াল কাজ করে থাকেন। হঠাত্ তাদের স্মার্টফোনটি নষ্ট হয়ে গেলে দ্রুত তা মেরামতের চেষ্ট করেন তারা । অনেক সময় ফোনটি মেরামতের অযোগ্য হলে নতুন একটি কেনার প্রয়োজন হয়। জরুরি প্রয়োজনে স্মাটফোন কেনার সময় অনেকেই এর ভিতরগত বিষয়গুলো যাচাই করার সময় পান না। আমাদের এবারের লেখায় স্মার্টফোন কেনার আগে কোন বিষয়গুলো খেয়াল করা জরুরি সে বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো—
যারা স্মার্টফোন কিনেন তারা সাধারনত ফোনটির বক্সে লেখা কনফিগারেশন দেখে বা ফোনের মধ্যে থাকা কনফিগারেশন দেখে তার পর কিনে থাকেন। আবার অনেক সময় অনলাইনে রিভিউ দেখে তারপর সেটটি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন কেউ কেউ। মনে রাখতে হবে যে, রিভিউয়ে কখনো কোনো কোম্পানি তাদের পণ্যের দূর্বলতাগুলো তুলে ধরে না। বিশেষ করে স্মার্টফোনের ক্যামেরার বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা উচিত। কারণ এর রিভিউ চকচকে ছবি ও ভিডিও দেখা গেলেও বাস্তবে স্মার্টফোনটি দিয়ে কেমন ছবি ক্যাপচার করা যায় তা যাচাই করা উচিত।
স্মার্টফোন কেনার আগে আপনার বাজেট নির্ধারন করুন। এর পর কোন ব্র্যান্ডের পণ্যটি কিনতে চান তা নির্বাচন কারুন। পরবর্তীতে নির্বাচন করুন আপনার বাজেটে কোন মডেলের স্মার্টফোন পাওয়া যাবে। বাজারে যাওয়ার আগে আপনি তো রিভিউ দেখেছেনই এবার দেখার পালা , সেটটি গরম কেমন হয়, ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কেমন, ভারি অ্যাপ ইনস্টল করলে সেট স্লো হয় কি-না, অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন হালনাগাদ কি-না সে বিষয়গুলো ভালো করে যাচাই করুন। মনে রাখা ভালো, পুরানো ভার্সনের অপারেটিং সিস্টেমে কিছু বিরক্তিকর বাগ বিদ্যমান ছিল যা নতুন ভার্সনের অপারেটিং সিস্টেমে নেই।
আরো একটি বিষয় রয়েছে আর তা হলো- স্মার্টফোনটিতে কোন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ব্যাটারি দিয়ে আপনি কয় ঘণ্টা টকটাইম ও ব্রাউজিং টাইম পাবেন তা জেনে নেয়া ভালো।